অনলাইন ডেস্ক, ২৪ অক্টোবর।। রবিবার চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন যে, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি জম্মু ও কাশ্মীরে দেখা দিতে পারে । তিনি বলেন, ভারতকে এর জন্য অবশ্যই ‘প্রস্তুত থাকতে হবে।’ গুয়াহাটিতে একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই কথা বলেন তিনি।
বিপিন রাওয়াত বলেন, ‘যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান তালিবানের দখলে যাওয়ার পরই কাশ্মীরের সীমানায় নজরদারি বাড়ানো ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমরা জানি, আফগানিস্তানে যা ঘটছে সেটা জম্মু ও কাশ্মীরেও ঘটতে পারে।’ সিডিএস জেনারেল রাওয়াত আরও বলেন, ‘আমাদের এর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে, আমাদের সীমানা সিল করতে হবে।
মনিটরিং খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাইরে থেকে কে আসছে সেদিকে নজর রাখতে হবে, চেকিং করতে হবে।’ জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, ‘এটা সত্যি যে জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয় এবং পর্যটকদের উচ্চস্তরের সতর্কতার জেরে ভারী চেকিংয়ের ধাক্কা সহ্য করতে হতে পারে।
তবে তাদের বুঝতে হবে যে এটি তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্যই। ভারতের প্রতিটি নাগরিকের নিজেদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সম্পর্কে সজাগ হওয়া উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘কারও সম্পর্কে সন্দেহজনক কিছু মনে হলে স্থানীয় পুলিশকে সেই সম্পর্কে অবলিম্বে অবহিত করে।
কেউ আমাদের রক্ষা করতে আসবে না, আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে হবে, আমাদের জনগণকে রক্ষা করতে হবে এবং আমাদের সম্পত্তি রক্ষা করতে হবে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শনিবারই স্পষ্ট করেছেন যে কাশ্মীরে আসন পুনর্বিন্যাসের পরই নির্বাচন হবে।
তারপর কাশ্মীরকে ফের রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।স্বাভাবিকভাবে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, বিজেপির এই ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে।অনেকে বলেছেন কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে আসন পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন পড়ছেই বা কেন?
কেউ কেউ বলছে আসলে ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস করে বিজেপি কাশ্মীরেও নিজেদের পছন্দসই জনপ্রতিনিধি বানানোর চক্করে রয়েছে।দীর্ঘ দিন ধরে কাশ্মীরের জনবিন্যাস নিয়ে কথা বলে আসছে আরএসএস।
সেখানে জনবিন্যাস বদলানোর ছক আরএসএসের আজকের নয়। গুরু আরএসএসের সেই ছক এবার শিষ্য বিজেপিকে দিয়ে কাজে লাগানোর যে মরিয়া চেষ্টা করবে শাহের বক্তব্যে তা স্পষ্ট। এমনটাই মনে করছেন অনেকেই।