অনলাইন ডেস্ক, ১২ অক্টোবর।। সেপ্টেম্বরে একের পর এক নতুন অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এর মধ্যে সুপারসনিক ও বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এ নিয়ে কোরীয় উপদ্বীপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কম হইচই হয়নি।
এখন আঞ্চলিক সমস্যার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেই দায়ী করছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।
দাবি করেন, তিনি যে অস্ত্রসম্ভার বাড়াচ্ছেন, তা প্রতিরোধকের কাজ করবে। একটি ‘অপরাজেয় সেনাবাহিনী’ গড়ে তুলছেন।
কিম একটা প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী দেখতে গিয়ে এই কথা বলেন। সেখানে উত্তর কোরিয়ার তৈরি সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রও প্রদর্শন হচ্ছে।
কিমের অভিযোগ, উত্তর কোরিয়ার প্রতি শত্রুতার নীতি নিয়ে চলেছে ওয়াশিংটন। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই সমরসম্ভার বাড়াচ্ছেন তিনি।
তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রই সব সমস্যার মূলে। তারা পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে শত্রুতার নীতি নিয়ে চলেছে। বলেন, ‘আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না।
আমরা যুদ্ধ না করার পক্ষে। কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রতিরোধক গড়ে তুলছি মাত্র। ’
বাইডেন প্রশাসন দাবি করেছে, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে তারা কোনো শত্রুতার নীতি নিয়ে চলছে না। কিমের প্রশ্ন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ কি বাইডেন প্রশাসনের এই দাবি মানেন?’
ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম)-এর সামনে দাঁড়িয়ে কিম এই মন্তব্য করেন। গত বছর সামরিক প্যারেডে এ ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবার দেখানো হয়।
দক্ষিণ কোরিয়া সম্প্রতি কয়েকটি অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে। এ ছাড়া সমর যানে তাদের সাহায্য করছে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য মিত্ররা। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ২৮ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য তাদের রাখা হয়েছে বলে দাবি। গত আগস্টে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সেনা মহড়াও করেছে। কিম বলেন, এই মহড়া আসলে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি।