স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ২৫ সেপ্টেম্বর।। এক ইঞ্জিনিয়ারের বেতন ভাতা শুধুমাত্র বিডিও-র মর্জিতে সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে৷
মাস কয়েক ধরে বেতন বঞ্চিত থাকার কারণে ওই কর্মীর পরিবার এখন আর্থিক সংকটের মুখে৷ স্ত্রী ও সন্তান সহ পুরো পরিবার পরিচালনা করাই এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ সংশ্লিষ্ট কর্মীর স্ত্রী তার স্বামীর বেতন ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়ে গোটা পরিবারটিকে অনাহার অর্ধাহারের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য বিডিও-র কাছে কাতর আবেদন জানিয়েছেন৷
ঘটনা খোয়াই ব্লকের৷ সরিৎ গুণ নামে ইঞ্জিনিয়ার খোয়াই ব্লকে কর্মরত ছিলেন৷ গত জুন মাসের ১৬ তারিখ তিনি বদলি হয়ে তেলিয়ামুড়া ব্লকে যোগ দেন৷ কিন্তু এরপর থেকেই তিনি বেতন পাচ্ছেন না৷ জুলাই, আগস্ট ও সেপ্ঢেম্বর মাসেও তার বেতন হয়নি৷
খোয়াই ব্লকের বিডিও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এলপিসি সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তেলিয়ামুড়া ব্লকে না পাঠানোয় তার বেতন আটকে আছে বলে অভিযোগ৷ খোয়াই ব্লক থেকে সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না এসে পৌঁছানোর কারণেই নাকি তেলিয়ামুড়া ব্লক অফিস থেকে তার বেতন হচ্ছে না বলে জানা গেছে৷
কোন এক রহস্যজনক কারণে খোয়াই ব্লকের বিডিও অনুরাগ সেন ইঞ্জিনিয়ার সরিৎ গুণের কাগজপত্র তেলিয়ামুড়া ব্লকে পাঠাচ্ছেন না বলে অভিযোগ৷ বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবেই ওই কর্মীর পরিবারে এখন রীতিমতো অভাব অনটন দেখা দিয়েছে৷
সরিৎ গুণের স্ত্রী সুতপা পাল তার স্বামীর বেতন ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়ে গোটা পরিবারটিকে অনাহার অর্ধাহারের হাত থেকে বাঁচাতে বিডিও-র কাছে কাতর আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখেছেন৷
সুতপা পাল তার চিঠির প্রতিলিপি বিধানসভার মুখ্য সচেতক, জেলা শাসক ও তেলিয়ামুড়া ব্লকের বিডিও-র কাছেও পাঠিয়েছেন৷