স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২২ সেপ্টেম্বর।। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসক পশ্চিম আগরতলা থানা ও পূর্ব আগরতলা থানা এলাকায় ২১ সেপ্ঢেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ত্রিপুরা হিউম্যান রাইট্স অর্গানাইজেশন (টিএইচআরও)৷
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অপপ্রয়োগ করে আগরতলা শহরে ৭ সপ্তাহের জন্য রাজনৈতিক দলের সভা ও মিছিলকে নিষিদ্ধ ও বেআইনি ঘোষণাকে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ বলে ধিক্কার জানিয়েছে টি এইচ আরও৷
আগরতলা রাজ্যের রাজধানী এবং আগরতলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে জনমত সংগঠিত করা ও প্রতিবাদ জানানোর সাংবিধানিক অধিকার থেকে রাজনৈতিক দলগুলিকে বঞ্চিত করার বদ্ উদ্দেশ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন টিএইচআরও সম্পাদক পুরুষোত্তম রায় বর্মন৷ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচির বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধকতা জারি করা হয়েছে৷
অরাজনৈতিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসকের বিজ্ঞপ্তিতে কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকায় এটা স্পষ্ট যে সরকার গণতন্ত্রের প্রতি চরম রকম অসহিষ্ণু এবং কোন ধরনের বিরোধিতা ও প্রতিবাদ বরদাস্ত করতে প্রস্তুত নয়৷ আগরতলা শহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সংগঠিত শাসক দলের নজিরবিহীন হিংস্রতার বিরুদ্ধে প্রশাসন সম্পূর্ণ নীরব৷
টিএইচআরও’র তরফে প্রেরিত বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ১৪৪ ধারা জারির মধ্য দিয়ে রাজধানীতে সমস্ত রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারির মধ্য দিয়ে রাজ্য সরকারের ফ্যাসিস্ট সুলভ মনোভাবের নজির বহন করছে৷
রাজ্যে সভা-সমিতি, মিছিল করার সাংবিধানিক অধিকার ভয়ানকভাবে বিপন্ন যা গণতন্ত্র রক্ষায় অশুভ লক্ষণ বলে অভিযোগ করেছে টিএইচআরও৷
একদিকে প্রশাসনের মদতে ও সক্রিয় প্ররোচনায় বেলাগাম রাজনৈতিক সন্ত্রাস এবং অন্যদিকে ১৪৪ ধারার অপপ্রয়োগ করে রাজনৈতিক কার্যকলাপকে শিকলবন্দি করা হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন টিএইচ- আরও সম্পাদক৷
পশ্চিম জেলা- শাসকের তরফে ২০ সেপ্ঢেম্বর জারি করা সিআরপিসি’র ১৪৪ ধারায় প্রদত্ত আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে টিএইচআরও৷