অনলাইন ডেস্ক, ১০ সেপ্টেম্বর।। সরাসরি চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে ফোন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব নেওয়ার পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বার কথা হলো তাদের।এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রতিযোগিতা দ্বন্দ্বের দিকে না যায় তা নিশ্চিত করার জন্য উভয় দেশের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন’ তারা।
আরও জানানো হয়, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে।অবশ্য কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা স্পষ্ট করা হয়নি। আফগানিস্তান প্রসঙ্গটি এসেছে কিনা তাও জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রনীতির ওপরই আলোচনা হয়ে থাকতে পারে।
হোয়াইট হাউস আশা প্রকাশ করেছে, দু’দেশই পারস্পরিক সহযোগিতার পথে হাঁটবে।বাণিজ্য, গুপ্তচরবৃত্তি ও করোনা মহামারির মতো বিষয়ের নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সম্পর্ক বেশ উত্তেজনাপূর্ণ।যুক্তরাষ্ট্র বলছে, শি ও বাইডেনের মধ্যকার আলোচনা ছিল বিস্তৃত ও কৌশলগত। যেখানে পারস্পরিক স্বার্থ, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির বিচ্ছিন্ন দিকগুলো ওঠে এসেছে।
বাইডেন স্পষ্ট করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান প্রতিযোগিতার মধ্যে দায়িত্বশীলতার ওপর জোর দেওয়া নিয়ে তার দেশের প্রচেষ্টার অংশ এ আলোচনা।হোয়াইট হাউসের এক সূত্রের দাবি, বেজিং-এর সঙ্গে বরফ গলানোর প্রক্রিয়া শুরু হলেও বেশ কয়েকটি বিষয়ে তাদের অবস্থান যে আগের মতোই থাকবে সে বার্তাও দিয়েছেন বাইডেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, দুই নেতার মধ্যে ‘খোলাখুলি ও গভীর’ আলোচনা হয়েছে। তারা কৌশলগত ও পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন।
বছরের শুরু থেকেই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনাকর অবস্থা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষের একাধিক আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মূলত বাইডেনের আগ্রহেই এবারের কথোপকথন। মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে চীনের নিম্নস্তরের কর্মকর্তাদের অনিচ্ছুক আলোচনায় ‘হতাশ’ হয়ে পড়েছিলেন তিনি।চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক উত্তেজনার শুরু সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় থেকে। এ বার সেটাকেই শুধরানোর জন্য উদ্যোগ নিলেন বাইডেন।