Night Curfew: করোনা নৈশকালীন কারফিউর মেয়াদ ৩০ সেপ্ঢেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৩১ আগস্ট।।
করোনা সংক্রমণ জনিত পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে রাজ্যে৷ মৃত্যুর মিছিল কিছুটা কমলেও এখনো প্রতিদিন অন্তত একজনের মৃত্যু হচ্ছে করোনায়৷ গত তিনদিনে রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে৷

প্রতিদিন গড়ে ৭০ জন সংক্রমিত হচ্ছেন রাজ্যে৷ সংক্রমণ কমলেও তৃতীয় ঢেউ এর ঝুঁকি রয়েছে৷ কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলোকে চিঠি পাঠিয়ে উৎসব  মরশুমে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে৷ ফলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে করোনা নৈশকালীন কারফিউর মেয়াদ ৩০ সেপ্ঢেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে৷

পূর্বের সময়সীমা অনুযায়ী ১ সেপ্ঢেম্বর রাত ১০টা থেকে ৩০ সেপ্ঢেম্বর ভোর পাঁচটা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে নয়া আদেশ৷ যদিও সংক্রমণ কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে বিধিনিষেধ না মানার প্রবণতা দেখা গেছে৷ সামনেই পুজো৷ বিভিন্ন দোকান ও শপিংমলে ক্রেতা বিক্রেতা কারোর মুখে নেই মাস্ক৷

তবে নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বন্ধ ঘরে সভা কিংবা সমাবেশের ক্ষেত্রে মোট ধারণ ক্ষমতার ৫০ শতাংশ মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন৷ বসার জন্য ২ গজ দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে এবং বিধিনিষেধ পালনের প্রমাণ হিসেবে ভিডিও রেকর্ডিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে৷

নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বিনা কারণে অথবা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বের না হতে বলা হয়েছে৷ পরিবারের সদস্যদের ছাড়া অন্য ব্যক্তিদের সাথে রাস্তায় কিংবা জনসমাগমস্থলে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে৷ বিবাহের অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি উপস্থিতির অনুমতি নেই৷

তেমনি শ্রাদ্ধানুষ্ঠান কিংবা শবযাত্রায় ২০ জনের বেশি উপস্থিতির অনুমতি নেই৷ সমস্ত ধর্মীয় স্থানে জনগণের প্রবেশ উন্মুক্ত করা হচ্ছে৷ কিন্তু করোনা বিধি কঠোরভাবে পালন করতে হবে৷ করা যাবে না জমায়েত৷ মাক্স পরা বাধ্যতামূলক রয়েছে৷

মুখ্যসচিব কুমার আলোকের জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুসারে শুধু কোভিড বিধি মেনেই সিনেমা হল, মাল্টিপ্লেক্স, জিম, সুইমিং পুল, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, স্টেডিয়াম, এন্টারটেইনমেন্ট পার্ক, বার খোলা যাবে৷

এছাড়া, দোকানপাট, শপিং কমল্লেক্স, বিউটি পার্লার, সেলুন সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে৷ এমনকি, রেস্টুরেন্ট ও ধাবা একই সময় পর্যন্ত খোলা থাকবে৷ সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারবেন৷

তবে যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে ওই প্রতিষ্ঠানগুলি নির্দিষ্ট কিছু সময় ধরে কর্মীদের অফিসে আসার সূচি নির্ধারণ করবে৷ তাঁদের সকলকে সমস্ত কোডিড বিধি মেনে চলতে হবে৷ এক সময় রাজ্যে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারনে কারফিউর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল৷

এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে৷ তাই, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে করোনা কারফিউর নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ত্রিপুরা সরকার৷ বিধিনিষেধে ছাড়ের ক্ষেত্রে পূর্বের আদেশ মতই ছাড় দেওয়া হয়েছে৷

করোনা সংক্রমণ জনিত পরিস্থিতিতে সারা রাজ্যে বিশেষকরে রাজধানীর জনবহুল এলাকায় বা বাজারগুলোতে নজরদারি ছিল মাস্ক এনফোর্সমেন্টের৷ এখন সংক্রমণ কমাতেই যেন সবকিছু ঢিলেঢালা৷ একাংশ মানুষের মধ্যে গা ছাড়া ভাব৷ এতে ঝুঁকি বাড়ছে৷

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?