Tribal Development: জনজাতিদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে না পারলে রাজ্যের সার্বিক বিকাশ সম্ভব নয়, বললেন জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৭ আগস্ট।।জনজাতিদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে না পারলে রাজ্যের সার্বিক বিকাশ সম্ভব নয়। রাজ্য সরকার রাজ্যের জনজাতিদের আর্থ সামাজিক মান উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া আজ বিকেলে রাধানগরে জনজাতি সব্জি ব্যবসায়ীদের জন্য নাইট শেল্টার কাম মার্কেট শেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে প্রধান অতিথির ভাষণে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া বলেন, জনজাতি কল্যাণ দপ্তর আগরতলায় এই প্রথম এই ধরণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে এই নাইট শেল্টার কাম মার্কেট শেড দ্বিতল করা হবে।

পরে হবে চারতলা। তেলিয়ামুড়া, আমবাসা, অম্পি, খোয়াই, উদয়পুর, অমরপুর, সাব্রম প্রভৃতি দূরবর্তী স্থানের যেসকল জনজাতি গোষ্ঠীর সব্জি ব্যবসায়ীরা আগরতলায় সব্জি ব্যবসা করেন তারা এখানে সব্জি রাখতে পারবেন।

জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যকে এগিয়ে নিতে হলে জাতি, জনজাতি নির্বিশেষে সকলকে মিলেমিশে ও শান্তিপূর্ণভাবে এগুতে হবে। যে কোন জাতিগোষ্ঠী ব্যবসা, বাণিজ্যে অগ্রসর না হলে একটি জাতি এগিয়ে যেতে পারেনা।

তাই শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনীয়ার হওয়াই নয় স্বাধীন ব্যবসা বাণিজ্যেও জনজাতিদের এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব মহিলা ও বেকার যুবক ও যুবতীদের স্বনির্ভর হওয়ার জন্য যে পথ নির্দেশ করেছেন তা বাস্তবায়ণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক রাজীব দত্ত, গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ক্ষুদিরাম ত্রিপুরা, লেইক চৌমুহনী বাজার কমিটির সভাপতি ভবতোষ পাল, উগ্রপন্থার পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা বুচুক বরক প্রমুখ।

স্বাগত ভাষণ দেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা এল টি ডার্লং। লেইক চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন রাধানগরে শূন্য দশমিক এক শূন্য একর জায়গার উপর জনজাতি সব্জি ভেন্ডারদের জন্য এই নাইট শেল্টার কাম মার্কেট শেড নির্মাণ করা হবে।

দ্বিতল মার্কেট শেড নির্মাণে আনুমানিক ব্যয় হবে ১৮৩.৫১ লক্ষ টাকা। এরমধ্যে ভারত সরকার স্পেশাল প্যাকেজ ফর ট্রাইবেল ডেভেলপমেন্ট ইন ত্রিপুরা স্কীমে ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছে।

এছাড়া রাজ্য সরকারের বাজেট থেকে অর্থ দপ্তর ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে। গ্রামোন্নয়ন দপ্তর আগামী ২০২২ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে এই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করবে।

প্রথম তলায় ৩৮টি শয্যা থাকবে। এরমধ্যে একটি ডর্মেটরিতে ১৮ জন পুরুষ ও অন্য ডর্মেটরিতে ১৭ জন মহিলা ব্যবসায়ী রাত্রি যাপন করতে পারবেন।

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?