স্টাফ রিপোর্টার, বিলোনিয়া, ২১ আগস্ট।।
সাধারণ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত এক গৃহবধূ৷ অভিযোগ বিশ্বজিৎ মিত্র মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করে আহত করে গৃহবধূকে৷
বিশ্বজিৎ মিত্রের সাথে গৃহবধূর সম্পর্ক দেবর বউদি৷ ঘটনা বিলোনিয়া থানাধীন মাইছড়া পূর্ব কলাবাড়িয়া পঞ্চায়েত এলাকায়৷
বর্তমানে গৃহবধূ উদয়পুর গোমতী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ চিকিৎসা সেরে বিলোনিয়া থানাতে মামলা দায়ের করবে বলেও জানা যায়৷ একটি ঔষধের মলমকে কেন্দ্র করে প্রথমে আট বছরে দুই ভাতিজিকে কান ধরে উঠবস, এরপর কান মলা দিতে থাকে কাকা বিশ্বজিৎ মিত্র৷ গৃহবধূর স্বামীও বাড়িতে ছিল না৷
দুই কন্যা সন্তানকে এভাবে শাস্তি দিতে দেখে গৃহবধূ অর্থাৎ বউদি সহ্য করতে না পেরে দেবর বিশ্বজিৎ মিত্রকে বলে সাধারণ মলমের জন্য এরকম করেছো তোমার দুই ভাতিজির সাথে৷ আর কিছু করবে না, আমি কিনে এনে দেব৷ এই কথা বলতেই হঠাৎ রেগে ফেটে পড়ে দেবর বিশ্বজিৎ মিত্র৷
আচমকা বউদিকে মারধর শুরু করে৷ এমনকি মাথা ধরে ঘরের ওয়ালের মধ্যে ঠেসে ঠেসে রক্তাক্ত করে বলে অভিযোগ দেব’র বিশ্বজিৎ মিত্রের বিরুদ্ধে৷ চিৎকার-চেঁচামেচি করতেই আশপাশের লোকজন এলেও তারা সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি।
শ্বশুর বাড়ির লোকজনরা আহত গৃহবধূকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসতে রাজি না থাকলেও পূর্ব কলাবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের সহায়তায় মাইছড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়৷
ঘটনা জানানো হয় বিলোনিয়া মহিলা থানাতে৷ মহিলা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে, গৃহবধূর সাথে এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সাথে কথা বলে৷ সেই সময় গৃহবধূর দেবর বিশ্বজিৎ মিত্র বাড়িতে ছিল না৷
পুলিশ যাওয়ার আগেই গা ঢাকা দেয়৷ এদিকে গৃহবধূর স্বামী ও বাপের বাড়ির লোকজনের ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যায় গৃহবধূর শ্বশুর বাড়িতে৷ পুলিশের সহায়তায় সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে বিলোনিয়া হাসপাতালে৷
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত গুরুতর হওয়াতে গৃহবধূকে উদয়পুর গোমতী জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে দেন৷ এদিকে বিশ্বজিৎ মিত্রের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ, প্রায় সময়ই গৃহবধূ অর্থাৎ বউদিকে মারধর করে৷
এমনকি গৃহবধূর স্বামী অর্থাৎ অরিজিৎ মিত্রের উপরও বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে বিশ্বজিৎ মিত্র৷ বর্তমানে গৃহবধূ ও তার বাপের বাড়ির লোকজনেরা চাইছে বিশ্বজিৎ মিত্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি৷