অনলাইন ডেস্ক, ১৭ আগস্ট।। প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে গায়েব ২১ কোটি টাকার বেশি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের কান্দিভালির প্রভিডেন্ট ফান্ড অফিসে। প্রাথমিকভাবে দফতরের চার কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তদন্তের পর পাওয়া গেছে কালপ্রিটকে৷ ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ -এর জুনের মধ্যে এই টাকা উধাও হয়েছে৷
এখন পর্যন্ত তদন্তে দেখা গেছে যে এই কেলেঙ্কারির ‘মাস্টারমাইন্ড’ হলেন চন্দন কুমার সিনহা৷ ইপিএফও-এর কান্দিভালি অফিসের ৩৭ বছর বয়সী কেরানি৷ যিনি প্রবাসী শ্রমিকদের প্রায় ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছিলেন জালিয়াতি করে পিএফ দাবি করার জন্য৷
চন্দন আপাতত পলাতক৷ সূত্রের খবর, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইপিএফও মামলাটি সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করবে। কোনও ব্যক্তিগত পিএফ অ্যাকাউন্ট এই প্রতারণায় অপব্যবহার করা হয়নি। এই অর্থ পুলড ফান্ডের অন্তর্গত এবং এটি ইপিএফও-র ক্ষতি, কোনও ব্যক্তির নয়। এটি একটি ব্যাঙ্ক ডাকাতির সমতুল্য৷
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দফতরের এক উচ্চপদস্থ কর্তার বিবৃতি অনুসারে, একদিনে নয়, বেশ কয়েক মাস ধরেই টাকা তোলা হচ্ছিল। ঘটনার পর প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলার ব্যাপারে আরও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। টাকা হস্তান্তর হয়েছে নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে। সেই সব লোকের টাকা তোলা হয়েছে যারা কর্মসূত্রে বিদেশে বসবাস করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের অ্যাকাউন্ট ইনঅ্যাক্টিভ।