অনলাইন ডেস্ক, ৫ আগস্ট ।। জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এদিন টুইট করে বলেন যে মানুষ তাদের অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য প্রতিবাদ করেছিল যখন তাদের উপর ‘চরম অবিচার’ করা হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি আরও বলেছেন, ‘দু’বছর আগের এই অন্ধকার দিনে জম্মু ও কাশ্মীরের যন্ত্রণা, নিপীড়ন এবং অশান্তি তুলে ধরার জন্য কোনও শব্দ বা ছবিই যথেষ্ট নয়।
যখন অবর্ণনীয় নিপীড়ন এবং অন্যায় অবিচার করা হয়, তখন অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য প্রতিবাদ করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই।’ উল্লেখ্য, ৩৭০ ধারা বাতিল করার এবং জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার দুই বছর পূর্ণ হলো।২০১৯ সালের ৫ আগস্ট, ভোরেই জম্মু কাশ্মীর রাজ্যের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি, ওমর আবদুল্লা এবং তার বাবা ফারুক আবদুল্লা-সহ কয়েকশো রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছিল। ২০২০ সালের মার্চে মুক্তি দেওয়া হয় ওমর এবং পারুক আবদুল্লাহকে।
আর, মুফতি মুক্তি পান ২০২০ সলের অক্টোবরে। মুফতি এবং তার পিডিপি দুই বছর আগে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। জম্মু ও কাশ্মীর পিপলস কনফারেন্সের খুরশিদ আলম বলেন, ‘৫ আগস্ট সবসময় জম্মু ও কাশ্মীরের ইতিহাসে একটি নেতিবাচক মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটি ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের জন্য একটি রাজনৈতিক ও মানসিক আঘাত।’ তবে এই ধারা বাতিলের পর বেশকিছু পরিবর্তন হয় সেখানে।
জম্মু-কাশ্মীরের বাইরের পুরুষদের সঙ্গে বিবাহিত স্থানীয় মহিলাদের স্বামীরা এখন আবাসিক শংসাপত্র পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। চলতি বছরের জুলাই মাসেই এই সংক্রান্ত নিয়মের পরিবর্তন করা হয়েছে।২০২০ সালের অক্টোবরে জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভারতের অন্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জমি কেনার পথ পরিষ্কার করেছিল। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু ও কাশ্মীর উন্নয়ন আইনের ১৭ নম্বর ধারা (জমি নিষ্পত্তি সংক্রান্ত) থেকে ‘রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা’ বাক্যবন্ধটি বাদ দিয়েছিল।