অনলাইন ডেস্ক, ৫ আগস্ট।। করোনা আবহে কমেছে রাস্তাঘাটে যানবাহনের সংখ্যা। ফলে বেড়েছে নিজস্ব গাড়ির গতিবিধি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেড়েছে বাইক চলাচল। কিন্তু চলার সঙ্গে রাস্তাঘাটে বেড়েছে বাইক দুর্ঘটনাও। বাইকের দৌরাত্ম্য কমাতে এবার কঠোর প্রশাসন। দুর্ঘটনা কমাতে কেন্দ্রীয় পরিবহণ দফতর কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে গাড়ি তৈরি ও গাড়ির ফিচারে কিছু পরিবর্তন করা হবে।
কেন্দ্রীয় পরিবহণ দফতর জাতীয় সড়কে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাইক চালকদের জন্যও নয়া নির্দেশিকা লাগু হবে। এই নয়া নিয়মে , বাইক চালকের পিছনের যে ব্যক্তি বসবেন তাকেও নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে।
১. কন্টেনারের নিয়ম বদল
কন্টেনারে বদল আনতে চলেছে সরকার। আগের চেয়ে বাইকের কন্টেনার ছোট করতে হবে। যার নির্দিষ্ট মাপ থাকবে । সেই মাপ হবে দৈর্ঘ্য ৫৫০, প্রস্থ ৫১০ এবং উচ্চতা ৫০০ মিলিমিটারের বেশি হবে না। এই নিয়ম মানা হলে তবেই বাইকের পিছনের অপর ব্যক্তি বসতে পারবেন। আর যদি সেই নিয়ম মানা না হয়, তাহলে অপর ব্যক্তিকে বসানো যাবে না। বাইক চালক একাই বাইক চালাবেন। এই নিয়ম না মানলে, তা গুরুতর অপরাধ বলে বিবেচিত হবে।
২. সিটের দুই পাশে লাগাতে হবে হ্যান্ড হোল্ড
সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে বাইক চালকের পিছনের সিটে দুই পাশেই লাগাতে হবে হ্যান্ড হোল্ড। চালক হঠাৎ ব্রেক কষলে এই হ্যান্ড হোল্ড বিশেষ সহায়তা করবে বাইক আরোহীরকে। এছাড়াও চালকের সিটে যে বসবেন তাকে পা-দানিতে পা রাখা বাধ্যতামূলক। বাইকের পিছনের চাকার বাঁ দিকের অর্ধেক অংশে কভার গার্ড হবে। যাতে মহিলাদের কাপড় বা ওড়না যেন জড়িয়ে না পড়ে। এই সমস্ত কিছুই দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচানোর জন্যই এই নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।
৩. টায়ারে নতুন নির্দেশিকা
নিরাপত্তার জন্য টায়ার নিয়ে নতুন নির্দেশিকা আনা হচ্ছে। সর্বোচ্চ ৩.৫ টন ওজন পর্যন্ত গাড়িতে টায়ার প্রেসার মনিটরিং সিস্টেম রাখছে হবে। এটি একটি সেন্সর সিস্টেম। এর সাহায্যে গাড়ির চাকায় কখন কতটা হাওয়া রয়েছে তা বোঝা যাবে। এই ছাড়াও যেকোনও বিপদ এড়াতে গাড়িতে টায়ার সারাবার জন্য টুলকিট রাখা বাধ্যতামূলক।