Mobile: মোবাইল ফোনালাপ নিয়ে রাজ্যের বন দপ্তরের অফিসারদের মধ্যে কাজিয়া তুঙ্গে

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৮ জুলাই।।
মোবাইল ফোনালাপ নিয়ে রাজ্যের বন দপ্তরের অফিসারদের মধ্যে কাজিয়া শুরু হয়েছে৷ এই কাজিয়ায় এক পক্ষ বন দপ্তরের সদর কার্যালয়ের অফিসার আমলা৷ অন্য পক্ষে সাব ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার বা এনডিএফও এবং রেঞ্জ অফিসার৷

আর মাঝের ডিস্ট্রিক্ট ফরেস্ট অফিসার বা ডিএফওগণ উপর নিচ দু’দিকেই তাল মিলিয়ে হাতে তালি দিয়ে নারদ নারদ বলছেন৷ মানে ঝগড়া যাতে আরও প্রলম্বিত হয়৷ ফলে বন সংক্ষণই হোক আর বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কিংবা উন্নয়ন মূলক কাজ সবই চুলোয় গেছে৷ অবশ্য বনমন্ত্রী মেবার কুমার এসব নিয়ে ভাবিত নন৷ তিনি ব্যস্ত নিজ পদ আর দলের ভাবমূর্তি ধরে রাখতে৷

সংবাদ সূত্রে জানা গেছে যে, রাজ্যের বন দপ্তরের সর্বোচ্চ আমলা পিসিসিএফ ড. ডি কে শর্মা গত ২৬ জুলাই সেহা নং এফ ২২৯/টেরিটরিয়্যাল /ডিপার্টমেন্ট রিভিয়/ মটিং/এফও ২১/ পি-ফোর/১৪৩৮৪-৪২৯ মূলে এক মেমোরেন্ডামে ক্ষোভ ব্যক্ত করে জানান যে, নিচু তলার অফিসারগণ বন বিভাগের সদর দপ্তরের ফোন ধরেন না৷ পরে ওরা কলব্যাকও করেন না৷ কিছু স্তরের অফিসারকে মোবাইল রিচার্জ করার জন্য টাকাও দেয়া হচ্ছে৷

এদিকে ডি কে শর্মা সাহেব তার উল্লেখিত মেমোতে নিজেই বলেছেন যে ডিএফওগণ তাকে জানিয়েছেন যে, এসডিএফও গণ তাদের কথা শুনেন না৷ আবার এসডিএফওগণ জানিয়েছেন রেঞ্জ অফিসারগণ তাদের কথা শুনেন না৷ তার মানে দাঁড়াচ্ছে যে, পিসিসিএফ ডা. শর্মার আমলে বন দপ্তরে শুরু হয়েছে অরাজকতা৷

কারো কথা কেউ শুনে না যা, শর্মা সাহেব আসার আগে ছিল না৷ এদিকে শর্মা সাহেব রাজ্যের সব ক’জন বন অফিসারের স্টেশান লিভ পারমিশানও বন্ধ করে দিয়েছেন৷ ফলে বন দপ্তরের নিচু তলার অফিসারগণ ক্ষোভে ফুঁসছেন৷

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?