স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা/ আগরতলা, ২৮ জুলাই।। ত্রিপুরায় পৌঁছে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সদস্য দল। বুধবার সকাল ৯.২০ মিনিট নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দর থেকে আগরতলায় উড়ে গেলেন প্রতিনিধি দল।
প্রতিনিধি সদস্য দলে রয়েছেন, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক ও তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-এর রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়।
গত রবিবার রাতে তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাকের ২৩ সদস্য সংস্থার কাজে ত্রিপুরা যায়। অভিযোগ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সরকার করোনা বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে টিম পিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরূপ আগরতলার একটি হোটেলে আটকে রাখে তাঁদের। এই ঘটনায় বেজায় ক্ষিপ্ত হয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
আটকে থাকা আইপ্যাক সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে তড়িঘড়ি ত্রিপুরায় পৌঁছান তৃণমূলের প্রতিনিধি। আগরতলায় যাওয়ার আগে দমদম বিমানবন্দরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলে যান, ‘জোরপূর্বক আইপ্যাকের সদস্যদের আটকে রাখা হয়েছে ত্রিপুরায়।
আমরা তাদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। বিজেপি গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। গণতান্ত্রিক দেশে একজন যদি অপরের সঙ্গে দেখা না করতে পারেন তাহলে সেটা সাংঘাতিক’।
আর ত্রিপুরায় পৌঁছে ব্রাত্য বসু বললেন, ‘ত্রিপুরায়াও খেলা শুরু হয়েছে’। গোটা বিষয় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রীর প্রশ্ন, বিভিন্ন রাজ্যের দলীয় সমীক্ষকেরা যেতে পারেন।
বাংলায়ও বিজেপি নেতা নেত্রীরা এসেছেন। তাঁদের কি আটকে রাখা হয়েছিল? উত্তরে শিক্ষা মন্ত্রী জানান, সেটা হয়নি। তবে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থাকে আটকে রাখা হয়েছে। এটা স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ।
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। তবে ত্রিপুরা প্রশাসন জানিয়েছেন, টিম পিকে সদস্যদের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ।
তাহলে কেন আটকে রাখা হল, এই প্রশ্ন তুললেন ব্রাত্য বসু। আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক বললেন, ‘বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় গণতন্ত্র নেই। মানুষ বদল চাইছে। ত্রিপুরা-সহ সারা দেশে পরিবর্তন হবে’।