UNESCO: আয়া সোফিয়া মসজিদ নিয়ে ইউনেসকোর মনোভাবে খুবই অবাক হয়েছে তুরস্ক

অনলাইন ডেস্ক, ২৬ জুলাই।। আয়া সোফিয়া মসজিদ নিয়ে ইউনেসকোর মনোভাবে খুবই অবাক হয়েছে তুরস্ক। দেশটি বলছে, এই মনোভাব পুরোপুরি ‘রাজনৈতিক ও পক্ষপাতপূর্ণ’। খবর ডয়চে ভেলে।

বছরখানেক আগে আয়া সোফিয়াকে জাদুঘর থেকে মসজিদে পরিণত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান।

গির্জা হিসেবে নির্মিত স্থাপনাটি এক সময় মসজিদে পরিণত হয়। পরে জাদুঘরে পরিণত হয় কামাল আতাতুর্কের শাসনামলে।

জাতিসংঘ বলছে, এই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট নিয়ে তারা চিন্তিত। ইউনেসকোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আয়া সোফিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা খুবই উদ্বিগ্ন।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, মসজিদ করা হলেও এই ঐতিহাসিক ভবনের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের কোনো নেতিবাচক প্রভাব ভবনের ওপর পড়েনি।

ইউনেসকো ‘ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক অঞ্চল’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানেই তারা আয়া সোফিয়া নিয়ে গভীর চিন্তার কথা জানিয়েছে। কিন্তু তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আয়া সোফিয়া নিয়ে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই নিবন্ধ লেখা হয়েছে।

চীনে এখন ইউনেসকোর বার্ষিক বৈঠক চলছে। তারা আয়া সোফিয়ার রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে তুরস্কের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছে। ইউনেসকোর কমিটি জানিয়েছে, তাদের কাছে বেশি তথ্য নেই, এ নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়নি।

তাই তারা এই বিষয়ে তুরস্কের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে এবং তারা চায় আন্তর্জাতিক স্তরে এটা নিয়ে আলোচনা হোক।

তুরস্ক সরকার জানিয়েছে, জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় থাকা ঐতিহাসিক ভবন নিয়ে সরকারের দায়িত্ব, অধিকার ও ক্ষমতা সম্পর্কে তারা সচেতন।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানও শনিবার টুইট বার্তায় বলেন, তুরস্কের সভ্যতার যে আবার সূর্যোদয় হচ্ছে, আয়া সোফিয়া তারই প্রমাণ। তার আশা বিশ্বের শেষদিন পর্যন্ত এর অন্দরে মুসলিমদের প্রার্থনা অনুরণিত হবে।

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?