অনলাইন ডেস্ক, ২৫ জুলাই।। সেনা শাসনের বিরোধিতার অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ বিল বয়কট করায় মিয়ানমারের এই খাত বিপাকে পড়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।
জাপানের অর্থনীতি বিষয়ক প্রভাবশালী পত্রিকা নিক্কের খবরে রবিবার বলা হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব আয় ৯০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে।
দেশটির সরকারি হাসপাতালগুলো লোড শেডিংয়ে পড়ার কারণে সেখানে প্রায় সার্বক্ষণিক জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। কিন্তু, মিয়ানমারে জ্বালানি তেলের দামও ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণের পর সেখানকার বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো সচল রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও সরকার সহযোগিতা করতে পারছে না।
অভ্যুত্থানের কারণে বিদ্যুৎ খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করা যায়নি। যেমন: ডিজিটাল মিটার বসানো, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আগে সতর্কতা দেওয়া, বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন করা, সংযোগ বাড়ানো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দেওয়া ইত্যাদি।মিয়ানমার সেনাবাহিনী ক্ষমতা নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৯শ’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আটক করা হয়েছে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষকে।এরপর থেকে মিয়ানমার সেনা বাহিনীর দমনপীড়নের তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বহু দেশ।