স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ২৫ জুলাই।। দীর্ঘদিন ধরে ৭ মাইল এলাকার ডাম্পিং স্টেশন নিয়ে প্রশাসন এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে একটা জটিলতা চলছিল।
অবশেষে শনিবার সকালে খোয়াই জেলা শাসক স্মিতা মলের পৌরহিত্যে এলাকার স্থানীয় জনগণদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় তুইথামপুই উচ্চ বিদ্যালয়ে। এলাকাবাসীদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যান্টুনি দেববর্মা।
এই বৈঠকে খোয়াই জেলা শাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া মহকুমা শাসক মোহাম্মদ টি সাজ্জাদ, তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়া সহ তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ডেপুটি সি.ই.ও সজল দেবনাথ এবং প্রসাশনের অন্যান্য আধিকারিকরা।
এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে গ্ৰামবাসীদের পক্ষে বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যান্টুনি দেববর্মা জানান, ২০১৬ সালে এই ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল এলাকাবাসীদের মতামত না নিয়ে।
কিন্তু এলাকাবাসীদের মতামত নেওয়া প্রয়োজন ছিল প্রশাসনের। বর্তমানে এই ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের ফলে এলাকায় জল দূষণ, বায়ু দূষণ এবং মৃত্তিকা দূষণ হচ্ছে। তিনি আরো জানান, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করতে গেলে জনবসতি থেকে অনেক দূরে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা প্রয়োজন। কিন্তু এক্ষেত্রে তা করা হয়নি।
এখন এলাকাবাসীদের দাবি ৭ মাইল থেকে ডাম্পিং স্টেশন সরিয়ে অন্য কোথাও ডাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হোক। অপরদিকে খোয়াই জেলা শাসক স্মিতা মল ডাম্পিং স্টেশন টি পরিদর্শন করেন এবং গ্রামবাসীদের সাথে বৈঠক করেন তুই থামপুই উচ্চ বিদ্যালয়ে।
পরে জেলা শাসক স্মিতা মল জানান, দীর্ঘদিনের অভিযোগ পেয়ে সরোজমিনে পরিদর্শনে আসেন এবং গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলেন ডাম্পিং স্টেশনের বিষয়টি নিয়ে।