Committed Suicide: কলেজপড়ুয়া ছাত্রের ফাঁসিতে আত্মহত্যা, গোটা চড়িলাম শোকস্তব্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, বিশালগড়, ২৩ জুলাই।। ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করল এক যুবক। ঘটনা দক্ষিণ চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের নন্দন কানন স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। যুবকটির নাম পল্টু দেবনাথ। বয়স ১৯। পিতার নাম পরিমল দেবনাথ।

কৃষক পরিবারের সন্তান। পল্টু চরিলাম দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় থেকে দ্বাদশ পাস করেছে। কলেজে মাত্র ভর্তি হয়েছে। নম্র ভদ্র শান্ত এবং খুব সুন্দর দেখতে ছেলেটি।

আজকে সকাল বেলায় মাত্র এক আত্মীয়র বাড়িতে দুই দিন বেরিয়ে তারপর বাড়িতে এসেছে। বাড়িতে আসার পর মা হয়তো বলেছে দুইদিন কি বেড়াতে হয়? দুপুরবেলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নন্দনকানন স্কুলের দিকে যায় সে। অনেকক্ষণ বাড়িতে ফিরে না আসায় বাড়ির লোকজন ডাকতে থাকে।

কোথাও সাড়াশব্দ না পেয়ে নন্দনকানন স্কুলের দিকে খুঁজতে যায় তাকে। হঠাৎ করে রাবার বাগান এলাকায় কয়েকজন দেখতে পায় পল্টু গাছে দড়ি দিয়ে ঝুলে রয়েছে। শুরু হয় চিৎকার-চেঁচামেচি। ধীরে ধীরে গ্রামের লোক চিৎকার শুনে রাবার বাগানের কাছে আসে।

বন্ধুবান্ধব আত্মীয়স্বজন ভেবেছে হয়তো প্রাণ আছে তাড়াতাড়ি দড়ি কেটে রাবার গাছ থেকে নামিয়ে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে পল্টু। বাড়িতে খবর আসামাত্র জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তার পিতা।

পল্টুর মায়ের চিৎকারে গোটা গ্রামের আকাশ বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। প্রতিবেশীরা জড়ো হতে থাকে বাড়ির সামনে। এই সুন্দর ছেলেটির হাসি গ্রামের মানুষ ভুলতে পারছে না। মামা মাসিরা কেঁদে কেঁদে বলছেন কেন যে এমন করল পল্টু বুঝতে পারলাম না।

সবাইকে কাঁদিয়ে শুক্রবার দুপুরবেলা এই গ্রাম ছেড়ে এই পরিবার ছেড়ে এই পৃথিবী ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেল। কলেজ পড়ুয়া এই ছাত্রটির মৃত্যুতে পরিবারের উপর আকাশ ভেঙে পড়ার অবস্থা।

বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে ময়না তদন্তের পর পল্টুর দেহ তার পরিবার পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পল্টুর মরদেহ বাড়িতে আসার পর কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে গোটা গ্রাম।

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?