স্টাফ রিপোর্টার, শান্তিরবাজার, ১৭ জুলাই।। উইকেন্ড কারফিউর আদ্ব শ্রাদ্ধ ঘটলো শান্তিরবাজার মহকুমায়। মহকুমা প্রসাশনের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে কোনো হেলদোল নেই। স্বাভাবিক কারণেই করোনা রুখতে উইকেন্ড কারফিউ জারি করার যৌক্তিকতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে রাজ্যসরকার প্রতিনিয় নানান প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই ভাইরাস থেকে লোকজনদের রক্ষনার্থে রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার সকাল ৫ টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত উইকেন্ড কারফিউর ঘোষনা করা হয়েছে। উইকেন্ড কারফিউর প্রথম সাপ্তাহে শান্তির বাজার মহকুমা জুরে সব দোকানপাট, যান চলাচল ছিলো বন্ধ। আজ দ্বিতীয় সপ্তাহের প্রথমদিনে শান্তির বাজার মহকুমার বিভিন্ন বাজারে ব্যতিক্রমী চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
শনিবার শান্তিরবাজার মহকুমার বাইখোড়া বাজার ও মনপাথর বাজারে সাপ্তাহিক বাজারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হারে লোকসমাগম ঘটে। উইকেন্ড কারফিউর দিনে বাজারে সব্জী, মাছ, মাংস, মিষ্টি দোকান ও ফল দোকান খোলা রাখার পাশাপাশি সব কয়টি বাজারে মুদি দোকান থেকে শুরু করে অন্যান্য দোকানগুলি অর্ধ শাটার করে ব্যবসা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।
সব কয়টি দোকানের সামনে দোকানের মালিক বসে থাকে। ক্রেতারা আসলে দোকান খুলে দরজা বন্ধ করে অনাহাসে নিজেদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বাজারে আগত ক্রেতা বিক্রেতারা মাাস্ক পরিধান ও সামাজিক দুরত্ব বজায়় রাখা ছাড়াই চলাফেরা করেছে।
এমনটাই চিত্র লক্ষ্য করা গেলো শনিবার দিনভর। বাইখোড়া বাজারে ও মনপাথর বাজারে সাপ্তাহিক বাজারবারকে কেন্দ্র করে ব্যাপকহারে লোকসমাগম ঘটে । অপরদিকে বাজারে যানচলাচল ছিলো অন্যান্য দিনের ন্যায় স্বাভাবিক।
শান্তির বাজার শহরেও একই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। বাজারের এই অবস্থা দেখেও মহকুমা প্রসাশন থেকে শুরু করে আরক্ষা প্রসাশনের লোকজনেরা নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। মহকুমা প্রসাশনের এধরনের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে।
প্রশাসনের আশকারা পেয়ে এ ধরনের কাজকর্ম চলছে বলে অভিযোগ। এভাবে অবাধে করোনা বিধি অমান্য করা হলে করোনা সংক্রমণ থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে সেই প্রশ্ন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।