অনলাইন ডেস্ক, ১০ জুলাই।। কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুরস্ক একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান। ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী এ বিষয়ে ফোনে আলাপ করে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোর সঙ্গে আলাপকালে আমরা একটা সিদ্ধান্তে এসেছি-কী করব, কী করব না।’ এরদোয়ান জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গেও এ বিষয়ে ফোনে আলাপ করেছেন। তুরস্কের এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
। বিদেশি কূটনৈতিক এবং রাজনীতিবিদরা এই কাবুল বিমান বন্দর ব্যবহার করেই আফগানিস্তানে যাওয়া-আসা করেন। যুক্তরাষ্ট্র দেশটি থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করছে। শুধুমাত্র দূতাবাসের নিরাপত্তায় ৬০০ সেনা থেকে যাবে। ২০০১ সালে মার্কিন হামলায় তৎকালীন তালেবান সরকারের পতন ঘটলে ন্যাটো জোটের অধীনে দেশটিতে কয়েকশ’ সেনা মোতায়েন করে তুরস্ক। তখন থেকে গত ২০ বছর দেশটিতে শত শত তুর্কি সেনা মোতায়েন ছিল।
তবে কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনার দায়িত্বে তুরস্ক বা কোনো বিদেশি শক্তিকে দেখতে চায় না তালেবান। তালেবানের মুখপাত্র সুহেল শাহীন সম্প্রতি বলেছেন, ২০২০ সালের স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে তুরস্কের উচিত নিজেদের সেনাদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা। দলটির দোহাভিত্তিক একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেছেন, ২০ বছর ধরে তুরস্ক ন্যাটোর অংশ ছিল। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী তুর্কি সেনাদের আফগানিস্তান ছাড়তে হবে।