অনলাইন ডেস্ক, ১০ জুলাই।। বন্দুকধারীদের হামলায় নিজেদের প্রেসিডেন্টকে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিয়ে চিন্তায় পড়েছে হাইতি। সম্পদ রক্ষায় তারা বিদেশি সেনাদের সাহায্য চেয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, হাইতি যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের কাছে ইতিমধ্যে অনুরোধ জানিয়েছে সেনা পাঠানোর জন্য। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের।
হাইতির পুলিশের পক্ষ থেকে এর আগে বলা হয়, ২৮ জন বিদেশি তাদের দেশে ঢুকে প্রেসিডেন্টকে হত্যা করেছে। হিট স্কোয়াডের অধিকাংশ কলম্বিয়ার সাবেক সেনা। এর মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনজন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র সেনা না পাঠালেও তদন্তে সাহায্যের জন্য এফবিআই এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের পাঠানোর কথা জানিয়েছে। জাতিসংঘ সেনা পাঠাতে চাইলেও যুক্তরাষ্ট্রের সবুজ সংকেত লাগবে।
গত বুধবার সকালের দিকে বন্দুকধারীরা প্রেসিডেন্টের বেসরকারি বাসভবনে হামলা চালায়। হামলায় প্রেসিডেন্টের স্ত্রী মার্টিনে আহত হন। তাকে চিকিৎসার জন্য ফ্লোরিডায় নেয়া হয়েছে। সেখানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।
ঠিক কী কারণে তার ওপর হামলা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তবে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর ধারণা, প্রেসিডেন্ট দেশের কিছু ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে চেয়ে প্রাণ হারালেন। বৃহস্পতিবার পুলিশ কয়েক জন সন্দেহভাজনকে অস্ত্রসহ গণমাধ্যমের সামনে হাজির করে।
পুলিশ বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিদেশিরা আমাদের দেশে ঢুকে প্রেসিডেন্টকে হত্যা করেছে। আমরা তদন্ত আরও দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাব। ’