Cannabis Recovered : তেলিয়ামুড়া ও মুঙ্গিয়াকামীতে তিনটি গাড়ি থেকে প্রচুর গাঁজা উদ্ধার, গ্রেফতার তিন

স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ৯ জুলাই।। তেলিয়ামুড়া মহকুমার মুঙ্গিয়াকামী থানার এবং তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ইউনিট পুলিশের বিশাল সাফল্য। দুইটি থানার অন্তর্গত তিনটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৯৭৬ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে শুক্রবার সকালে। এদিকে বড় সাফল্যটি আসে মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশের হাতে।

মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ অন্যান্য দিনের মতো‌ ৪১ মাইল এলাকায় ভ্যাহিকাল চেকিংয়ে বসে দুইটি দূর পাল্লার লড়ি-তে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার প্রায় প্যাকেট ভর্তি শুকনো গাঁজা। সেই সঙ্গে আটক করা হয় দুই গাড়ির চালক,সহ-চালক সহ মোট ৩জন।

খবরে জানা যায়, মুঙ্গিয়াকামী থানার এস.আই রঞ্জিত দাস ও মুঙ্গিয়াকামী থানার ও.সি ধ্রুবজয় রিয়াং-এর নেতৃত্বে অন্যান্য দিনের মতো মুঙ্গিয়াকামী থানাধীন ৪১ মাইল এলাকায় ভ্যাহিকাল চ্যাকিং -এ বসে।এমন সময় সন্দেহ বশত PB10DZ9404 নম্বরের একটি দূরপাল্লার লরিতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ৮৩২ কে.জি প্যাকেট ভর্তি শুকনো গাঁজা।এই গাড়ির চালক তথা পাঞ্জাবের প্রদীপ সিং-কে ঘটনা স্থলে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সে বহিঃ রাজ্যের অপর আরেক ML08G4094 নম্বরের একটি কন্টিনার গাড়ি দেখে পুলিশকে জানায় যে ওই গাড়ির মধ্যে ও প্যাকেট ভর্তি শুকনো গাঁজা রয়েছে।

তার কথার উপর ভিত্তি করে পুলিশ এবং ৭১ নং সি.আর.পি.এফ-এর জওয়ানরা ML08G4094 নম্বরের একটি লরির পিছু ধাওয়া করে। ৪১ মাইল এলাকা থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার পূর্বে গিয়ে পুলিশ এবং সি.আর.পি.এফ জওয়ান রা গাড়িটিকে আটক করতে সক্ষম হয়।এই গাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ প্রায় ১০৭২কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে আটক করা হয় গাড়ির চালক ও সহ চালক অভিমান্নু রায় এবং আমন কুমার-কে ।

ঘটনার খবর পাঠানো হয় তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়ার কাছে।তিনি ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরবর্তীতে পুলিশ এবং সি.আর.পি.এস-এর জওয়ান রা গাড়ি দুটিকে আটক করে মুঙ্গিয়াকামী থানায় নিয়ে আসে। সি.আর.পি.এফ-এর নেতৃত্বে ছিলেন অরুন কুমার ভারতী কমান্ডেন্ট ৭১ নং ব্যাটেলিয়ন।

পুলিশ মোট দুটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ১৯০৪ কেজি শুকনো গাঁজা আটক করতে সক্ষম হয়েছে।যার বাজার মূল্য আনুমানিক প্রায় এক কোটি টাকার উপর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়া জানান, এই গাঁজা গুলি জিরানিয়া পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে লোডিং করা হয়। সন্দেহবশত এই গাড়িগুলো আটক করা হয়েছে।

অপরদিকে তেলিয়ামুড়া থানাধীন হাওয়াই বাড়ি এলাকা থেকে ৭৯ কেজি গাঁজা আটক করেছে তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক পুলিশ এবং ট্রাফিক ডি.এস.পি বিক্রমজিত শুক্ল দাস। উদ্ধার কৃত গাঁজার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা। পুলিশ WB06A2588 নম্বরের একটি মারুতি গাড়ির সিটের তলা থেকে দুই যুবককে গাঁজা সহ হাতে-নাতে পাকড়াও করেছে।

ট্রাফিক ডি.এস.পি বিক্রম জিত শুক্ল দাস জানিয়েছেন, সাত সকালে হাওয়াই বাড়ি এলাকায় ভেইকেল চেকিং -এর সময় তাদের এই সাফল্য। তবে একটা প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়,এতগুলো থানা পের হয়ে কিভাবে মুঙ্গিয়াকামী এবং তেলিয়ামুড়া ট্রাফিকের হাতে গাজা গুলো আটক হলো।

তবে কি এই গাঁজা পাচারে বাণিজ্যের সাথে থানা গুলোর গোপনে লেনদেন হয়েছে।প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সচেতন মহল থেকে। এদিকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশিকা একাংশ থানার পুলিশ বাবুরা পালন করে থাকলেও অন্যান্য থানা বাবুরা দায়িত্ব পালন করছেন না।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?