স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৩ জুলাই।। শনিবার চাকরিচ্যুত ১০৩২৩ জয়েন্ট মুভমেন্ট কমিটির এক প্রতিনিধি দল গ্রামীণ ব্যাঙ্কের সদর দপ্তরে গিয়ে ম্যানেজারের সাথে দেখা করেন৷ সংগঠনের পক্ষে কমল দে সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা জানান, তারা ডিডির শংসাপত্র মূল্যে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেয়৷
গ্যারেন্টাররা ডিডির শংসাপত্র মূলেই এগিয়ে এসেছিল৷ তারা চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিতে গ্যারেন্টার হয়েছিল৷ এখন ব্যাঙ্ক গ্যারেন্টারদের কাছ থেকে ইএমআই আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা৷ চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের প্রতিদিন চাপ দেওয়া হচ্ছে৷
অথচ রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করে জানিয়ে দেন কোভিড পরিস্থিতিতে আগামী সেপ্ঢেম্বর মাস পর্যন্ত ব্যাঙ্কথেকে ইএমআইয়ের জন্য গ্রাহকদের চাপ দেওয়া যাবে না৷ যারা নিজে থেকে ইএমআই জমা দিতে চাইবে তাতে কোন আপত্তি করবে না ব্যাঙ্ক৷ কিন্তু সরকারি নির্দেশ অমান্য করে গ্রামীণ ও কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের প্রতিদিন হয়রানি করছে বলে তারা অভিযোগ করেন৷
জিরানীয়া এলাকার এক চাকরিচ্যুত শিক্ষককে চলতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ১ লক্ষ টাকা জমা দিতে বলেছে ব্যাঙ্ক৷ টাকা না দিলে ঘরের জিনিসপত্র নিয়ে যাবে বলেও জানিয়েছে বলে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে৷
এই চাপে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের মধ্যে যদি কেউ আত্মহত্যা করে তাহলে ব্যাঙ্ক দায়ী থাকবে বলে তারা জানিয়ে দেন৷ ১০৩২৩ শিক্ষকরা চাকরিকালে ব্যাঙ্ক থেকে প্রচুর অর্থ ঋণ নেন৷ চাকরি চলে যাওয়ার পর সংসার চালাতেই তারা হিমসিম খাচ্ছেন৷ ব্যাঙ্কের ঋণ দেবেন কোথা থেকে৷
গত ১৫ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না তারা৷ তার উপর ব্যাঙ্কের চাপে ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে এখন পর্যন্ত ১০৪ জন শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে৷ মানসিক অবসাদে ভুগছেন অনেক চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা৷ লোনের ইএমআই ডিডিওদের অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়ার দাবি করেছেন তারা৷