স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ০২ জুলাই।। ২২ জুন রাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছে৷ তাতে দেখা গেছে যে শীর্ষ আদালতে পদোন্নতির মামলাধীন রায়ের অপেক্ষা না করে সরকারি কর্মচারীদের এডহক পদোন্নতির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বলে অভিযোগ করেছে ত্রিপুরার তফশিলি জাতি সমন্বয় সমিতি৷
তাই এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য শুক্রবার আম্বেদকর ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি জানান ত্রিপুরার তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতি রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুধন দাস৷ তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের এডহক পদোন্নতির সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্ট ১৯৯৫ সালের প্রদত্ত রায় কেন্দ্রীয় সরকারের সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতির পরিপন্থী৷
রাজ্য সরকার নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ নম্বর উপ অনুচ্ছেদে সংযোজিত সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে সমস্ত তপশিলি জাতি এবং উপজাতি প্রার্থীরা কখনো সংরক্ষণের সুবিধা না নিয়ে শুধুমাত্র মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতা বিবেচিত হয়।
শুধু তারা সাধারণ ক্যাটাগরি জন্য চিহ্ণিত শূন্যপদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবে৷যা ১৯৯১ সালের সংরক্ষণ আইন এবং ১৯৯২ সালের সংরক্ষণ বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিমত তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির৷
এমনকি ২০০১ সালে ভারতে সংসদে ৮৫ তম সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে তপশিলি জাতি এবং উপজাতি প্রার্থীদের পদোন্নতি দিকে সিনিয়ারিটিকে সুরক্ষা প্রদান করেছে৷ কিন্তু রাজ্য সরকারের এডহক পদোন্নতি পলিসিতে সংবিধানের সুরক্ষাকে সম্পূর্ণভাবে অগ্রাহ্য করা হয়েছে বলে জানান তিনি৷
বিচারধীন বিষয়ে শীর্ষ আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশ সাপেক্ষে প্রচলিত সংরক্ষণ আইন মেনে পদোন্নতি দেওয়ার পদক্ষেপ নিলে সঠিক হতো৷