স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৩ জুলাই।। আজ সাড়ম্বরে সমগ্র ত্রিপুরায় পালিত হচ্ছে বন মহোৎসব। ত্রিপুরা রাজ্যের একটা বড় অংশ বনাঞ্চলে ঘেরা। অক্সিজেন প্রদানকারী রাজ্যগুলির মধ্যে অন্যতম আমাদের ত্রিপুরা।
মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব একথা বলেন। তিনি জানান, বৃক্ষরোপণ ত্রিপুরাবাসীর সহজাত স্বভাব। যা ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না। তা রক্ষণাবেক্ষণও প্রয়োজন।
আগে রোপণ হওয়া গাছে ৪০ শতাংশ বাঁচত। এই সরকার রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্ব আরোপ করায় এখন ৮০ শতাংশ গাছ বাঁচে। তা সম্ভব হয়েছে জনজাগরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতির দিশায়। এবারে বন মহোৎসবের থিম ‘ঘর ঘর আগর, হর ঘর আগর।’
মুখ্যমন্ত্রীর বাসভাবনেও আজ আগর গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।
আগর গাছকে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহারের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৫০ লক্ষ পরিণত আগর গাছ রয়েছে। আগর মিশনের মাধ্যমে আগামী দেড় থেকে দু’বছরের মধ্যে ২০০০ কোটি টাকার অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে কোনও কর্মসূচীকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তার ব্যবহারিক দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। কোন কর্মসূচী কত মানুষের রোজগার দিচ্ছে সেই দিশাতেই এই সরকার কাজ করছে। ডেয়ারি শিল্পের উন্নতির জন্য কাজ করছে রাজ্য সরকার। রাজ্য অল্প সময়ের মধ্যেই দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে।
দুধের চাহিদা মেটাতে ১১০০ কোটি টাকা রাজ্যের বাইরে চলে যায়। তা যাতে রাজ্যেই থাকে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। স্বনির্ভর পরিবার না হলে স্বনির্ভর ত্রিপুরার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে না। রাজ্য সরকার প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছে।