স্টাফ রিপোর্টার, কৈলাসহর, ০২ জুলাই।। গভীর রাতে ইরানি থানা ও কৈলাসহর থানার যৌথ অভিযানে অরবিন্দ নগর কলোনি এলাকার আব্দুল শহিদের বাড়ি থেকে উদ্ধার ৫ লক্ষ টাকার নেশা সামগ্রী সহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র এবং ছয় দাগী নেশা কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়৷
ঘটনা বৃহস্পতিবার গভীর রাতে৷ একই রাতে কৈলাসহরের প্রাণকেন্দ্র সেন্ট্রাল রোডে সঞ্জীবনী ফার্মেসিতে অভিযান চালায় স্বাস্থ্য দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন৷ উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও অন্যান্য অবৈধ সামগ্রী৷
শুক্রবারও এই সঞ্জীবনী ফার্মেসিতে তল্লাশি করে স্বাস্থ্য দপ্তর৷ প্রাথমিকভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে এই ফার্মেসি৷ অভিযানের তদারকি করেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক চন্দন সাহা৷ তাছাড়াও ছিলেন ড্রাগ ইনস্পেক্টর রবার্ট দেববর্মা, ডিসিএম মানুষ মুরাসিংহ, ইরানি থানার ওসি আলমগীর হোসেন, কৈলাসহর থানার ওসি পার্থ মুন্ডা৷
তবে বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে ইরানি থানার একাধিক সাফল্যে পুলিশ প্রশাসনের উপর কিছুটা বিশ্বাস ও আস্থা ফিরে আসছে আম জনতার৷ গোপন খবরে ইরানি থানার ওসি আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও টিএসআর বাহিনী অভিযানে যায়৷ তাদের সহযোগী হিসেবে কৈলাসহর থানার ওসি পার্থ মুন্ডা বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায়৷
অরবিন্দ নগর কলোনি এলাকায় আব্দুল শহিদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ব্যাগ থেকে নেশা সামগ্রীগুলি উদ্ধার হয়৷ পুলিশ আব্দুল শহিদ, নিপন নাথ, তেন্তু পাল, তোয়ারিদ আলি, আশিক আলি, দুরুদ আলি সহ মোট ছয় দাগী নেশা কারবারিকে আটক করে৷ আটক হওয়া নেশা কারবারিদের মধ্যে নিপন নাথ কৈলাসহর সেন্ট্রাল রোডে লিজ নিয়ে সঞ্জীবনী ফার্মেসি নামে এক ওষুধের দোকান চালায়৷
এই ফার্মেসির নামে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল৷ তবে কৈলাসহর থানার পুলিশ কিংবা স্বাস্থ্য দপ্তরের ড্রাগ ইনস্পেক্টর এর কোন ভূমিকা ছিল না৷ বৃহস্পতিবার ইরানি থানার তৎপরতায় অভিযানের ফলে সাফল্য আসে৷