স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৩০ জুন।। বিলোনিয়ার রাজনগরে দলীয় কর্মসূচি করতে গিয়ে গত ২৭ জুন আক্রান্ত হন ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক তথা বিধায়ক সুধন দাস সহ বেশ কয়েকজন সিপিএম নেতা কর্মী ও বিধায়কের স্ত্রী৷ শাসক দলের দুষ্কৃতীদের আঘাতে বিধায়কের মাথা ফেটে যায়৷
এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাজধানীতে মিছিল ও বিক্ষোভ সভা করলো ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির রাজ্য কমিটি৷ এদিন প্রতিবাদ মিছিলটি শহরের প্যারাডাইস চৌমুহনী, পোস্ট অফিস চৌমুহনি এবং ওরিয়েন্ট চৌমুহনি সহ বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে৷
পরে সিটি সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংগঠনের রাজ্য সভাপতি তথা বিধায়ক রতন ভৌমিক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে এই রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকবে৷ বিভিন্ন দল তার গণতান্ত্রিক কাজকর্ম করতে পারবে৷ কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না৷ রাজ্যপালের আশ্বাস দেওয়ার পরেও বিরোধীরা আক্রান্ত হচ্ছে৷ জনপ্রতিনিধিরা কাজ করতে পারছে না৷
আক্রান্ত হয়েছেন বিধায়ক সুধন দাস৷ এই ঘটনাগুলির পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে বিনা কারণে বামপন্থী কর্মীদের গ্রেফতার করছে৷ এরই প্রতিবাদ জানানো হয় এদিন৷ রাজনৈতিক সন্ত্রাস অব্যাহত৷ সন্ত্রাস অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে৷ নয়তো বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি শাসক দল বিজেপির উদ্দেশ্যে৷
এদিকে ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির সহ সভাপতি বলেন, গত তিন বছরে রাজ্যের গণতন্ত্র পুরোপুরিভাবে ভেঙে পড়েছে৷ গণতন্ত্র নেই বললেই চলে৷ এ বিষয়ে রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশককে জানানো হয়েছে৷ এবং উনাকে বলা হয়েছে যাতে সন্ত্রাস অবিলম্বে বন্ধ করা হয়৷
কারণ উদ্বেগের বিষয় হলো পূর্বে যখন রাজ্যের সিপিআইএমের সরকার ছিল তখন এই ধরনের সন্ত্রাস বিরোধীদের উপর করা হয়নি৷ বিরোধীরা তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করতে পারে৷ তার জন্য বিরোধীদের উপর এই ধরনের সন্ত্রাস মেনে নেওয়া যায় না৷