স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ২৯ জুন।।স্বাস্থ্যকর্মীদের একাংশের ভূমিকায় ক্ষুব্দ কিছু মানুষজন। স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন করোনা ভ্যাকসিন নিতে আসা লোকজনেরা। স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার নজির পরিলক্ষিত হল তেলিয়ামুড়ার তুইসিন্দ্রাইবাড়ি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালযয়ে।
এম.পি.ডব্লিউ এবং একাংশ স্বাস্থ্যকর্মীদের খামখেয়ালিপনায় ১৮ ঊর্ধ্ব করোনার টিকা নিতে এসে দুই’আড়াই ঘন্টা সময় সাধারণ জনগণকে বসে থাকতে হলো । ঘটনা মঙ্গলবার তুইসিন্দ্রাই বাড়ি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে। গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে ১৮ ঊর্ধ্ব করোনার টিকাদান প্রক্রিয়া।
এরই অঙ্গ হিসাবে তেলিয়ামুড়া মহকুমার হাওয়াই বাড়ি;তুইসিন্দ্রাই বাড়ি;পুলিনপুর এলাকার মানুষ জনের কথা মাথায় রেখে মঙ্গলবার স্থানীয় তুইসিন্দ্রাই বাড়ি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে প্রদান করা হলো ১৮ ঊর্ধ্ব’দের মধ্যে করোণার টিকা।অনলাইনে যারা করোনার প্রতিষেধক নেওয়ার জন্য বুকিং করিয়েছে তাদের সময় দেওয়া হয়েছে সকাল ৯ টা থেকে প্রদান করা হবে করোনার প্রতিষেধক।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় সকাল ৯টা গড়িয়ে বেলা ১১:০০ বাজলেও দেখা মেলেনি তুইসিন্দ্রাই বাড়ি দ্বাদশে স্বাস্থ্য কর্মীদের।বেলা প্রায় ১১:৩০ মিঃ নাগাদ এম.পি.ডব্লিউ রাকেশ পাল তুইসিন্দ্রাই বাড়ি দ্বাদশে এসে পৌঁছায়। যদিও বিদ্যালয়ে পৌঁছার পর প্রত্যক্ষ করা গেল রাকেশ বাবু ব্যস্ত প্রিয়জনের সঙ্গে ফোনে বার্তালাপে।
এম.পি.ডব্লিউ রাকেশ পাল বিদ্যালয়ে পৌঁছার পর বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ শুরু হয় টীকা দান কর্মসূচি। লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষমান টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে স্বাস্থ্য কর্মীর ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
কর্মীদের দায়িত্ব জ্ঞান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কেন এত লোনের গাফিলতি করা হচ্ছে তা খতিয়ে দেখার জন্য দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।