অনলাইন ডেস্ক, ২৪ জুন।। অবশেষে আড়াল ভেঙে আদালতের শুনানিতে অংশ নিলেন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। প্রায় ১৩ বছর ধরে বাবার অভিভাবকত্বে আছেন এ গায়িকা। বুধবার জানালেন, তিনি নিজের মতো করে বাঁচতে চান। ফিরে চান মুক্ত জীবন। এ সময় বিচারক ব্রেন্ডা পেনিকে তিনি জানান, বাবা তাকে ১০০০০০% বা দশ লাখ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেন।
ভার্চ্যুয়াল শুনানিতে ২০ মিনিট ধরে নিজের লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান এ পপ আইকন। বলেন, “আমি শুধু আমার জীবন ফিরে চাই।” ২০০৮ সালে ব্রিটনি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ন্ত্রণের অধিকার পান বাবা জেমি স্পিয়ার্স। হাসপাতালে ভর্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার কারণে আদালত এ নির্দেশ দেয় ওই সময়। ব্রিটনি জানান, ইচ্ছার বিরুদ্ধে পারফর্ম করতে বাধ্য করা হয়েছে তাকে।
তার কোনো গোপনীয়তা ছিল না। জন্ম নিয়ন্ত্রণ, ওষুধ ব্যবহার ও থেরাপি সেশনে ইচ্ছার কোনো মূল্য দেওয়া হয়নি। লিথিয়াম সেবনে বাধ্য করা হয়েছে, যা তার চিকিৎসার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বাবা-মার সঙ্গে কোনো বিষয়ে কথা বলার সুযোগও দেওয়া হয়নি তাকে। নার্সদের সঙ্গে দিনের পর দিন থেকেছেন তিনি। এ সময় বাবাকে নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উত্থান করেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স।
২০০৮ সালে জেমি স্পিয়ার্স আনুমানিক ৬ কোটি ডলার সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পান। আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে ১৪ জুলাই। এ দিকে অনেক দিন ধরে ব্রিটনির অনুরাগীরা চালিয়ে যাচ্ছেন ‘ফ্রি ব্রিটনি’ আন্দোলন। গায়িকার আদালতে উপস্থিতি সেই আন্দোলনকে আরেক দফা চাঙা করেছে।