স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৯ জুন।। রানিরবাজার পুর পরিষদের হলঘর থেকে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করে বেরিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী৷ শনিবার দুপুরের এই ঘটনা৷ হঠাৎ তার সামনে হামাগুড়ি দিয়ে একপ্রকার পায়ে জড়িয়ে ধরার মতো অবস্থা এক মহিলার৷ মহিলার নাম পাপিয়া ভৌমিক৷
তিনি ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর বুথের বাসিন্দা৷ নিজের দুটি পা-ই তাঁর অচল৷ আর্থিক টানাপোড়েনের সংসার৷ স্বাভাবিক কারণেই একদিকে শারীরিক অক্ষমতা অন্যদিকে আর্থিক দুর্বলতা এই ধরনের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে কার্যত আজ বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরীর দরবারে তিনি৷
করুণভাবে জানালেন যে, সংসার তাদের চলে না৷ চায় সাহায্য৷ শারীরিক অক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ভাতা জোটেনি৷ বিধায়কের সাহায্য চেয়েছেন৷ কিন্তু আর্থিক টানাপোড়েনের এই সংসারে সরকারিভাবে মঞ্জুর করে ভাতা প্রদান তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব নয়৷
এই অবস্থায় নিজের পকেটে হাত ঢোকালেন সুশান্ত চৌধুরী৷ পাঁচশো টাকার দুটি নোট হাতে তুলে দিলেন পাপিয়া ভৌমিককে বললেন, যতদিন পর্যন্ত পাপিয়া ভৌমিকের কাছে ভাতা পৌঁছবে না ততদিন পর্যন্ত প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী তাঁকে দিয়ে যাবেন৷
পরে সুশান্ত চৌধুরী’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই মহিলাকে আগে হুইলচেয়ার দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু ভাতার তালিকায় নাম আসেনি৷ এই অবস্থায় আগামী দিনে সরকারি ভাতার তালিকাভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সাহায্য করে যাবেন৷