অনলাইন ডেস্ক, ১৯ জুন।। ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের পর পেরুর ল্যাম্বডা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা । ২০২০ সালের আগস্টে পেরুতে প্রথম চিহ্নিত হয় এটি। তার পর থেকে অন্তত ২৯টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে স্ট্রেইনটি। ডব্লিউএইচও একে জায়গা দিয়েছে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ তালিকায়। তাদের বক্তব্য, ল্যাম্বডা স্ট্রেইনকে এই মুহূর্তে পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি।
খুব শিগগিরি হয়তো আলফা, বিটা, ডেল্টা, গামা-র মতো একেও জায়গা দিতে হবে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ তালিকায়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দক্ষিণ আমেরিকা জুড়ে ল্যাম্বডা স্ট্রেইন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া দেখেই একে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেসট’ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ করোনাভাইরাসের স্ট্রেইনগুলোকে দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটিতে রাখা হয়েছে সেই সব স্ট্রেইনকে, যেগুলো মহামারীর মতো সমস্যা তৈরি করছে। অন্য ভাগে থাকা স্ট্রেইনগুলো নিরীহ, অর্থাৎ ভয়ের কারণ নেই।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ল্যাম্বডা স্ট্রেইনটিকে তারা দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে, এটির সংক্রমণ ক্ষমতা ক্রমেই বেড়েছে। অ্যান্টিবডির ক্ষমতাও নষ্ট করে দিচ্ছে এটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগে যত বেশি সম্ভব টিকা দিতে হবে। না হলে নতুন ভ্যারিয়েন্ট আরও বেশি বিপদ ডেকে আনতে পারে।