রাজ্যের পৃথক স্থানে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের যৌথ অভিযানে উদ্ধার গাঁজা

স্টাফ রিপোর্টার, চুরাইবাড়ি, ১৭ জুন।। পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে উদ্ধার হল গাঁজা। আটক করা হয়েছে পাচারকারী সহ অপরএক যুবককে। সাথে আটক একটি মোটর বাইক। ঘটনা চুরাইবাড়ি থানাধীন প্রেমতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায়। উত্তর জেলার লক্ষীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মোহিবুর রহমান নিজের TR02B/5413 নাম্বারের হিরো গ্ল্যামার বাইকে করে চুরাইবাড়ি থানাধীন বাঘন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ নং ওয়ার্ডের প্রেমতলা বাজার সংলগ্ন বীরেন্দ্র মালাকারের মোদি দোকানে দেড় কেজি গাঁজা পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় ।

কিন্তু সেই খবরের ভিত্তিতে চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ গাঁজা সহ গাজা পাচারকারী মোহিবুর রহমানকে হাতে নাতে আটক করে।সাথে আটক করা হয় মোদি দোকানের মালিক বীরেন্দ্র মালাকারের ছেলে সমরজিৎ মালাকারকেও।জানা গেছে,গাঁজা পাচারকারীরা গোটা উত্তর জেলায় এভাবেই বাইকে করে গাজা বিক্রি করে। তাছাড়া ধৃত গাঁজা কারবারি গাড়ি গাড়ি গাজা স্টক করে গোটা উত্তর জেলা সহ বহিঃ রাজ্যে পাচার করে বলে জানা গেছে। এদিকে প্রেমতলা এলাকার সাধারন জনগণ বারবার অভিযোগ করছিলেন বীরেন্দ্র মালাকারের মোদি দোকানে গাঁজা বিক্রি হচ্ছে ৷সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত নড়েচড়ে বসে চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ।তবে পুলিশি অভিযানের টের পেয়ে মোদি দোকানের মালিক বীরেন্দ্র মালাকার পালিয়ে গেলেও তার দোকান ও ঘর থেকে গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।

এক সাক্ষাৎকারে চুরাইবাড়ি থানার ওসি জয়ন্ত দাস জানান, উদ্ধার করা হয়েছে দেড় কেজি গাঁজা। গাঁজা কারবারি মোহিবুর রহমান এবংদোকান মালিকের ছেলে সমরজিৎ মালাকার বর্তমানে চুরাইবাড়ি থানার হেফাজতে রয়েছে। সাথে গাঁজা কারবারির গ্লামার বাইকটিও পুলিশ আটক করেছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার বাজার মূল্য প্রায় পনেরো হাজার টাকা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি। তাছাড়া মোদি দোকানদার বীরেন্দ্র মালাকারের বাড়িসহ গাজা পাচারকারী মুহিবুর রহমানের বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালানো হয়।। অবশ্য গাঁজা পাচারকারীর বাড়ি থেকে কোনো সাফল্য উঠে আসেনি।ওসি আরো জানান, চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ ভারতীয় দন্ডবিধির এনডিপিস অ্যাক্টে একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

গাজা সহ ড্রাগস,হিরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেটের রমরমা বাণিজ্য চলছে অসম-ত্রিপুরা সিমান্ত এলাকায়। নেশার কবলে পড়ে যুব সমাজ ধ্বংসের মুখে। পুলিশ যদি এরকম তৎপরতা দেখায় তাহলে নেশা বাণিজ্যের লাগাম টানা যেতে পারে। কিন্তু কদমতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি দোকানে গাঁজা বিক্রি হলেও কদমতলা এলাকার গোয়েন্দা পুলিশ ঘুমে। জানা গেছে কদমতলা থানা এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের অকর্মণ্যতার কারনে নেশা কারবারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?