স্টাফ রিপোর্টার, কল্যাণপুর, ৭ জুন।। আয়রন রিমুভাল প্লান্ট দীর্ঘ দশ বছরের বেশি সময় ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে অপরিস্রুত পানীয় জল পান করতে বাধ্য হচ্ছেন মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের গোকুলনগর এডিসি ভিলেজ এলাকার উপজাতিরা। সুখা মরশুমের মতই বর্ষাকালেও মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের গকুলনগর এডিসি ভিলেজের তুইমধু এলাকার গিরিবাসীরা পানীয় জল হিসাবে ব্যবহার করতে হয় খোয়াই নদীর জল। এলাকার মানুষজনদের অসুবিধার কথা উপলব্ধি করে ওয়াটার ফিল্টার ট্রাংক তৈরি করা হয়েছিল বিগত ২০১০ সালে ।তখন ঘটা করে ঢাকঢোল পিটিয়ে উদ্বোধনও করা হয়েছিল সেই ওয়াটার ট্যাংকের ।
কিন্তু উদ্বোধনের ৭থেকে ১০ দিন পরই ওয়াটার ফিল্টার ট্রাঙ্কটি অকেজো’ হয়ে যায়। বামেদের সময়কালে এটি আর সংস্কার করা হয়নি। কিন্তু বামেদের পতন হয়ে রাজ্যে বিজেপি জোট সরকারের তিন বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও ওই ওয়াটার ফিল্টার ট্রাঙ্কটি সংস্কার করা হয়নি বলে অভিযোগ। ঘটনা উত্তর গকুলনগর এডিসি ভিলেজের তুইমধু এলাকায়।এলাকার মানুষজন দীর্ঘ বছরের পর বছর ধরে জলের জন্য দুর্ভোগ সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছেন।এঅবস্থায় এলাকাবাসীদের জলের চাহিদা মেটাতে হচ্ছে খোয়াই নদীর অপরিশ্রুত জল দিয়ে। ফলে এলাকাবাসীদের মধ্যে উদর ঘটিত রোগ প্রায় সময়ই লেগে থাকে।
এদিকে এডিসির রাজ পাঠে বর্তমানে ত্রিপরা মথা দল ক্ষমতায় আসীন।নির্বাচন পর্ব সম্পন্ন হয়ে কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও এলাকার জল সমস্যা নিরসনের জন্য কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেনা এডিসি প্রশাসন।এমনই অভিযোগ গিরিবাসীদের।যদিও গত ২০১০সালে ওই ওয়াটার ফিল্টার ট্রেঙ্কটি বেশ ঘটা করে উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন বিধায়িকা গৌরী দাস। এলাকাবাসীর দাবি প্রশাসন যাতে অতিসত্বর ওয়াটার ফিল্টার ট্রাঙ্কটি সংস্কার করে দেয়। কেন না খোয়াই নদীর অপরিস্রুত পানীয় জল পান করে বহু মানুষ জল বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এ বিষয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।