স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৭ মে।। রাজ্যে করোনা অতিমারি প্রতিরোধে ৫৭৯ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ এ ডি সি সদর খুমুলুঙস্থিত খেরেঙবার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে ১৫০ এল পি এম অক্সিজেন জেনারেশন প্ল্যান্টের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। খেরেঙবার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে অক্সিজেন জেনারেশন প্ল্যান্টের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই অক্সিজেন জেনারেশন প্ল্যান্টের ব্যয়ভার রাজ্য সরকার বহন করবে।
তাছাড়াও কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে চিকিৎসা সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি সহ স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ৩০ কোটি টাকা দেবে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি খেরেঙবার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের শয্যা সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ শয্যা করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন অক্সিজেন জেনারেশন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ খুব শীঘ্রই শেষ হবে। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, জনজাতিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র।
তেমনি শহরের পাশাপাশি গ্রামকে সমভাবে উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে কাজ করছে বর্তমান সরকার। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের এই খেরেঙবার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্যও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলকে যাবতীয় কোভিড সুরক্ষা বিধিনিষেধগুলি মেনে চলতে হবে।
নিজের পরিবারের পাশাপাশি নিজেকে সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখলেই সমাজের জন্য কাজ করা সম্ভব বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। মুখ্যমন্ত্রী কোভিড ভ্যাকসিনেশনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ১৬ লক্ষ ২৭ হাজার মানুষের কোভিড টিকাকরণ হয়েছে। টিকাকরণে ত্রিপুরা এই মুহূর্তে দেশের শীর্ষে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের আট জেলায় অক্সিজেন প্ল্যান্ট নির্মানের জন্য অনুমোদন দিয়েছে।
পাশাপাশি আরও ১৮ টি অক্সিজেন প্ল্যান্টের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। কারণ কোভিড চিকিৎসায় অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অক্সিজেনযুক্ত শয্যা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ রয়েছে। সমগ্র ত্রিপুরায় কোভিড রোগীদের জন্য ৩,২০০ এর অধিক শয্যা রয়েছে। ভেন্টিলেটর রয়েছে ১২৬টি। আইসিইউ বেডও বড় মাত্রায় রয়েছে রাজ্যে।
তিনি বলেন, হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের স্বাস্থ্যকর্মী এবং আশাকর্মীদের মাধ্যমে অক্সিমিটার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন হেল্পলাইন নম্বরও রয়েছে। কোভিড মোকাবিলায় যেসকল শিক্ষকগণ কোভিড ওয়ার রুমে কাজ করছেন তাদেরও প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ পাশাপাশি কোভিড মোকাবিলায় ক্লাব এবং সামাজিক সংস্থাগুলির উদ্যোগের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই করোনা কার্ফু চলাকালীন সময়ে সরকার ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে গরীব এবং প্রয়োজন রয়েছে এমন ৭ লক্ষ পরিবারকে ১ হাজার টাকা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, গরীব অংশের মানুষের কাজের জন্য এম জি এন রেগায় ৩৩২ কোটি টাকা এবং শহর এলাকায় টুয়েপ প্রকল্পে ২৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে রাজ্য সরকার।
অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য পূর্ণচন্দ্র জমাতিয়া, চেয়ারম্যান জগদীশ দেববর্মা সহ অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্য, এমডিসি প্রদ্যোৎ বিক্রম মাণিক্য দেববর্মা সহ জেলা পরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ, স্বাস্থা দপ্তরের প্রধান সচিব জে কে সিনহা, টি টি এ ডিসি’র সি ই ও অভিষেক চন্দ্রা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন ডিরেক্টর ডা সিদ্ধার্থ শিব যশওয়াল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন খেরেঙবার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের হলঘরে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিততে এক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়৷
মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অনুরাগ কাশ্যপ হার্টের অস্ত্রোপচার করালেন
অনলাইন ডেস্ক , ২৭ মে।। হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করায় মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো জনপ্রিয় এই নির্মাতা-অভিনেতা অসুস্থ অনুরাগ কাশ্যপকে। সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে- গত সপ্তাহে বুকে যন্ত্রণা শুরু হওয়ায় হাসপাতালে যান অনুরাগ কাশ্যপ। এরপর অ্যানজিওগ্রাফি রিপোর্টে তার হার্টে বেশ কিছু ব্লকেজ ধরা পড়ে। তাই দেরি না করেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। অনুরাগের অস্ত্রোপচারের বিষয়টি নিশ্চিত করে তার মুখপাত্র জানান, আপতত বিশ্রামে আছেন এই নির্মাতা। চিকিৎসকরা তাকে কাজে যোগ দেওয়ার আগে এক সপ্তাহ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এই মুহূর্তে বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। আপতত ‘দোবারা’র পোস্ট প্রোডাকশন নিয়ে ব্যস্ত অনুরাগ। গত মার্চ মাসেই এই ছবির শুটিং শেষ করেছেন তিনি। ছবিতে লিড রোলে রয়েছেন তাপসী পান্নু ও পাভেল গুলাটি।