পাহাড়ি এলাকাগুলিতে কাজ ও খাদ্য সংকট বেড়েই চলেছে, অসহায় জনজাতিরা

স্টাফ রিপোর্টার, তেলিয়ামুড়া, ২৪ মে।। গিরিকন্দরে অভাব-অনটন চরম আকার ধারণ করেছে। বাঁশের কড়ুল ,লতাপাতা ,বনের আলু ইত্যাদি সংগ্রহ করেই জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন উপজাতিরা।বাঁশ কুড়ুল বিক্রি করতে পারলে আমি খেতে পাবো, আর যদি বিক্রী না হয় ঘরে গিয়ে কি খাব। কাজও নাই। কাজ থাকলে বাঁশ কুড়ুল বিক্রি করতাম না।

বক্তব্যগুলো এক উপজাতি রমণীর ।জাতীয় সড়কের পাশে বসে এ কথাগুলো বলেছিলেন। মুঙ্গিয়াকামী এলাকায় যাওয়ার পথেই জাতীয় সড়কের পাশে বসে এক উপজাতির রমণী বাঁশ কুড়ুল নিয়ে বসেন বিক্রির উদ্দেশ্যে। আশা ছিল ওই বাঁশ কুড়ুল গুলি বিক্রি করে যে অর্থ উপার্জন হবে তা দিয়ে বাজার থেকে খাবার সামগ্রী ক্রয় করে ঘরে ফিরে যাবেন।

বাঁশ করল বিক্রি করতে পারেনি ।কথা প্রসঙ্গে উপজাতি রমণী জানান, কাজকর্ম থাকলে তিনি বাঁশ কুড়ুল নিয়ে এখানে বসতেন না ।এই বাঁশ কুড়ুলগুলি বিক্রি করতে না পারলে তিনি কি নিয়ে যাবেন ঘরে সেই আশঙ্কাই তাকে তাড়া করছে। ঘরে উনার এক সন্তানও রয়েছে। পাহাড়ি এলাকাগুলিতে কাজ ও খাদ্যসংকট দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।

উপজাতিদের অনেকেই বনের আলু, বাঁশ কড়ুল ইত্যাদি সংগ্রহ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে চলেছেন। দুর্বিষহ জীবন যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে আছেন গিরিকন্দরে বসবাসকারী উপজাতি অংশের জনগণ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?