স্টাফ রিপোর্টার, বিশালগড়, ২১ মে।। করোনা টেস্ট করিয়ে দুই জায়গা থেকে দুই রকম রিপোর্ট পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। বিশালগড় পুর পরিষদের পনের নম্বর ওয়ার্ডের নীলকমল মাঠ এলাকায় এক শ্রমিক পরিবারের করোনা টেস্ট করিয়ে এক প্রকার নাজেহাল হয়ে পড়েছে শ্রমিক পরিবারটি। শ্রমিক সঞ্জিত দাস জানায় গত সোমবার সঞ্জীব দাসের পরিবার করোনা টেস্ট করিয়েছিল ।
তার পরিবারে পজেটিভ রিপোর্ট আসতেই এলাকার লোকেরা তাদের এক প্রকার গৃহবন্দী করে রাখেন। এই পরিবারটি সোমবার থেকে অনাহারে রয়েছে। না খেয়ে ঘরে আবদ্ধ রয়েছে।কোন খাবার দাবার নেই, খোঁজ নেওয়ার জন্য এলাকার কোন কাউন্সিলর কিংবা জনদরদি লোকেদের দেখা মিলেনি ।শেষ পর্যন্ত শুক্রবার বাধ্য হয়ে লোকেদের চোখের আড়াালে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে নিজেদের করোনা টেস্ট করায়। তাদের পুরো পরিবারের নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। রিস্কা চালক শ্রমিক সঞ্জিত দাস এর পরিবার সংবাদ মাধ্যমকে জানায় ,স্বাস্থ্য দপ্তরের তুঘলুকি কান্ডে তারা বিপাকে পড়েছে।
এহেন পরীক্ষা নিরীক্ষা হলে মানুষ স্বাস্থ্য দপ্তরের উপর আস্থা হারাতে বাধ্য হবে। প্রথমবার পরীক্ষার পর পজিটিভ রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে । স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীদের গাফিলতির ফলে তাদের পরিবার একপ্রকার নাজেহাল হয়ে পড়েছে। যদি ত্রিপুরা রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরে এরকম রিপোর্ট দেয় তাহলে শত শত শ্রমিক পরিবার না খেয়ে করোণা আক্রমণের আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে বলে মনে করে এই শ্রমিক পরিবারটি । আজ নেগেটিভ রিপোর্ট হাতে নিয়ে তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। করোনা টেস্ট এর নামে এ ধরনের খামখেয়ালীপনা বন্ধ করে সঠিক রিপোর্ট প্রদানের ব্যবস্থা করতে দাবি উঠেছে।