স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৯ মে।। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ জনিত পরিস্থিতিতে মানুষের রুটিরুজি প্রশ্নচিহ্নের দাঁড়িয়েছে ঠিক সেই সময়ে বন্ধন সহ বিভিন্ন মাইক্রোফাইন্যান্স সংস্থাগুলো কিস্তির টাকার জন্য ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। তাদের তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের আনাচে-কানচে গজিয়ে উঠেছে বেশ কিছু সংখ্যক মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানি। আর্থিক দিক দিয়ে অপেক্ষাকৃত দুর্বল মানুষজনকে তারা টার্গেট করে ঋণ প্রদান করে ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে নানাভাবে হয়রানি করেছে।
এসব মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলির কাজকর্ম অনেকটাই চিটফান্ড কোম্পানী গুলির কাজ করছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ মিলেছে। করোনা ভাইরাস এর দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর রাজ্য সরকার সারা রাজ্যে কারফিউ জারি করেছে। জনগণকে অত্যন্ত সচেতন ভাবে চলাফেরা করতে হচ্ছে। কাজকর্মের সংস্থান নেই অনেকেরই। তাতে আর্থিক সমস্যা চরম আকার ধারণ করেছে। যারা বন্ধন সহ বিভিন্ন মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানি থেকে ঋণ নিয়েছে তারা জটিল সমস্যার সম্মুখীন। ইতিমধ্যেই কিস্তির টাকা মিটিয়ে দিতে না পারায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
এরই মধ্যে বুধবার রাজধানী আগরতলা শহরএলাকার বড়দোয়ালী এন বি আর সি ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় সুব্রত দাস বৈদ্য নামে এক ভদ্রলোকের সাথে বন্ধন ব্যাংকের কর্মী অশালীন আচরন করেছে বলে অভিযোগ। বন্ধন ব্যাংকের যেসব দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তির টাকা সংগ্রহ করে তারাই ভোক্তাদের সঙ্গে অভদ্র আচরন করেছে বলে অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, ঐ এলাকার যারা বন্ধন ব্যাংক থেকে টাকা নিয়েছে কিস্তির টাকা মিটিয়ে দিতে দুই এক দিন দেরি হলেই অভদ্র আচরণ করে থাকে বলে জানান ভোক্তারা। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবে বিস্তারিত ভাবে বললেন ক্ষুব্দ ভোক্তারা। বন্ধন ব্যাংক থেকে যারা ঋণ নিয়েছেন তাদের মতে করোণা ভাইরাস সংক্রমণ জনিত পরিস্থিতিতে কাজের সংস্থান করতে পারছেন না অনেকেই।
দু’মুঠো অন্নের সংস্থান করা যখন কষ্টকর হয়ে উঠেছে ঠিক সে সময়ই বন্ধন ব্যাংক ঋণের কিস্তির টাকা সঠিক সময়ে মিটিয়ে দেওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা এবং দিতে না পারলে অশালীন আচরণ করা কতখানি সঠিক তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভোক্তারা। এ বিষয়ে তারা রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।