স্টাফ রিপোর্টার, গণ্ডাছড়া, ১৭ মে।। আবারও শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ ও স্বামীর নির্যাতনের শিকার হলেন এক গৃহবধূ৷ ঘটনা গণ্ডাছড়া হরিপুর ভিলেজের৷ অমর চাঁন দাসের ছেলে সন্তোষ দাস এর সঙ্গে বামপুরের রানী দাসের সামাজিক বিবাহ বন্ধন হয়৷
রানী দাস জানান যে, বিবাহের ছয় মাস পরে স্বামী সন্তোষ দাস তার উপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন পণের জন্য৷ শাশুড়ি এবং বাড়িতে থাকা ননদ তার উপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন৷ বউ পছন্দ হয়নি বলে অজুহাত দেখিয়ে প্রতিদিনেই চলে অমানুষিক অত্যাচার৷ তাও সহ্য করে দীর্ঘদিন কাটানোর পর তাদের সংসারে এক শিশু সন্তান জন্মগ্রহণ করেন যার বয়স বর্তমানে ৪ বৎসর৷
গৃহবধূ রানী দাস ভেবেছিলেন হয়তো শিশু সন্তানকে দেখে স্বামীর অত্যাচারের কথা ভুলে যাবেন৷ শ্বশুর শাশুড়ির অত্যাচার বন্ধ হয়ে যাবে৷ কিন্তু দেখা যায় যে দিনের পর দিন অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়৷ কিন্তু স্বামী শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদের অমানুষিক অত্যাচার অব্যাহত থাকে৷
বাধ্য হয়ে শিশু সন্তানকে নিয়ে রানী দাস বাপের বাড়িতে চলে যান৷ অমরপুর আদালতে এই নিয়ে মামলা করা হয়৷ শাশুড়ি এবং স্বামী সন্তোষদাস অমরপুর আদালতে জানান গৃহবধূর উপর অত্যাচার করা হবে না৷ তারপরও তাদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পাননি৷
প্রতিদিন শারীরিক নির্যাতন, অমানসিক অত্যাচার, এই নিয়ে গণ্ডাছড়া থানায় কেস ডায়ারি করা হয়৷ গতকাল রাতেও স্বামী শ্বশুর-শাশুড়ি এবং ননদ তার উপর অত্যাচার চালায়৷ বাধ্য হয়ে ৪ বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে গণ্ডাছড়া থানায় আশ্রয় নেন গৃহবধূ৷ এখন দেখার কি সমাধান হয়।