স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৭ মে।। ত্রিপুরা সরকারের মুখ্য সচিব বিভিন্ন সরকারি দপ্তর/সংস্থার অফিসগুলি পরিচালন সম্পর্কে গতকাল এক আদেশ জারি করেছেন। এই আদেশে ৩ মে, ২০২১ তারিখে জারি করা আদেশের উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে
ক) সারা রাজ্যে পুণরায় আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত অফিসে কাজের সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা হবে।
খ) হেড অব অফিসের দ্বারা তৈরি রোস্টার অনুযায়ী ৫০ শতাংশ নন গেজেটেড কর্মচারী বাড়ি থেকে কাজ করবে। তবে পুলিশ, শহরে স্বশাসিত সংস্থা, জেলা প্রশাসন, পানীয়জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ, অগ্নি নির্বাপন ও আপতকালীন পরিষেবা, জেল, সমাজকল্যাণ দপ্তরের হোম ইত্যাদি জরুরী পরিষেবার সাথে জড়িত দপ্তরগুলির কাজ কর্ম স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে। এ ব্যাপারে কোন সংশয় উৎপন্ন হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সচিব সিদ্ধান্ত নেবেন।
গ) তবে যারা বাড়ি থেকে কাজ করবেন প্রয়োজনে তাদেরও হেড অব অফিস ডাকতে পারবেন। উল্লেখিত ৩ মে, ২০২১-এর আদেশ করোনা কার্ফু এবং কন্টেইনমেন্ট জোন-এর বাইরে থাকা অফিসগুলির ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। কিন্তু করোনা কার্ফু এবং কন্টেইনমেন্ট জোন-এর আওতাধীন এলাকার সরকারি অফিস / সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে
১. স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, জল সরবরাহ, খাদ্য ও জনসংভরণ, ব্যাঙ্ক, অগ্নি নির্বাপন, টেলি যোগাযোগ, পেট্রোল পাম্প, জেল, আদালত, সমাজকল্যাণ দপ্তরের পরিচালিত হোম, বন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী, পুর পরিষেবা, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং সংবাদ মাধ্যম, বিমান বন্দর, রেলস্টেশন, স্থল বন্দর, এন আই সি, ডাক পরিষেবা, বীজ/সার বিক্রয় কেন্দ্র ইত্যাদি জরুরী পরিষেবার সাথে জড়িত অফিস যথারীতি চলবে।
বাকি অফিসগুলি হেড অব অফিসের তৈরি রোস্টার অনুসারে কতিপয় কর্মচারী দিয়ে চলবে। উল্লিখিত জরুরী পরিষেবা প্রদানকারী কর্মীরা কার্ফু এলাকা/কন্টেইনমেন্ট জোন এলাকার ভিতরে/বাইরে যাতায়াত করতে পারবেন এবং সেজন্য তাদের নিজ নিজ দপ্তরের পরিচয়পত্রই যথেষ্ট হবে।
২. কিছু কিছু সরকারি কর্মচারী রয়েছেন যারা কন্টেইনমেন্ট জোন/কার্ফু এলাকায় বসবাস করেন কিন্তু সেই এলাকার বাইরে কাজ করেন। আবার কিছু কিছু কর্মচারী রয়েছেন যারা কন্টেইনমেন্ট জোন/কার্ফু এলাকার বাইরে থাকেন কিন্তু কন্টেইনমেন্ট/কার্ফু এলাকায় কাজ করেন, এমন সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যদি কেউ অফিস কর্তৃক জরুরী পরিষেবার সাথে যুক্ত থাকেন তাহলে তারা অফিস/সংস্থাগুলিতে আসা যাওয়া করতে পারবেন। বাকিরা দপ্তরের রোস্টার অনুযায়ী চলবেন।
৩. কোন দপ্তরের কাজ জরুরী পরিষেবা কিনা দ্বিধা সৃষ্টি হলে জেলাশাসক/দপ্তরের সচিব সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা আইন-২০০৫-এ প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে মুখ্যসচিব এই আদেশ জারি করেছেন।