গাজায় ‘হাজার বোমার রাত’

অনলাইন ডেস্ক, ১৪ মে।। ফিলিস্তিনের গাজায় বৃহস্পতিবার রাতে এক সহস্র বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর এ তথ্য জানিয়েছে। গাজায় অবস্থিত হামাসের ‘টানেল’ ধ্বংস করতে তারা মুহুর্মূহু বোমা নিক্ষেপ করে বলে জানায়। পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি পুলিশের হামলাকে কেন্দ্র করে গত সোমবার থেকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা শুরু হয়।

আলজাজিরা ও রয়টার্স জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৯ এ পৌঁছেছে। নিহতের মধ্যে রয়েছে ৩১ শিশু ও ১৯ নারী। গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের এ হামলায় আরও অন্তত ৮৩০ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের নিক্ষেপ করা গোলা দায়ির আল-বালাহ ও মাগাজির পূর্বাঞ্চলের বেসামরিক মানুষের বাড়ির ওপর পড়ছে। প্রাণ বাঁচাতে ফিলিস্তিনের শত শত পরিবার গাজার উত্তরাঞ্চলে জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোতে আশ্রয় নিচ্ছে। আইডিএফ জানায়, এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি বোমা ও গোলাবর্ষণ করা হয়েছে গাজায়।

২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের পর এবারই সেখানে এতো বড় আকারে ভয়াবহ বোমা হামলা হচ্ছে। হামাসকে চাপে রাখতে সীমান্তে ট্যাংক, গোলাবারুদ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে রেখেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী। বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর হামলার মূল লক্ষ্যবস্তুগুলোর একটি ছিল গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হামাসের ভূ-গর্ভস্থ ‘মেট্রো’ টানেল। টানেলটি অস্ত্র আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহার করে হামাস। এর ১৫০ অংশ লক্ষ্য করে ১৬০টির বেশি যুদ্ধবিমান নিয়ে রাতভর বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলের বিমান বাহিনী।

এতে টানেলের বড় একটা অংশ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাতের বোমা হামলায় ৫২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতারেসসহ আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলো অনতিবিলম্বে এই সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাতে সাড়া দেননি। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলে শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য যতদিন প্রয়োজন, ততদিন হামলা অব্যাহত থাকবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?