দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে অন্তত তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক, ১৪ মে।। ফিলিস্তিনের গাজায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি এবার ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। অব্যাহত হামলায় এখন পর্যন্ত ১১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের ৩১ জন শিশু। আহত হয়েছেন ৫৪০ ফিলিস্তিনি।

ইসরায়েলি আর্টিলারি বাহিনী ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ শুরু করলেও শুক্রবার ভোর নাগাদ গাজায় প্রবেশ করেনি বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। গাজায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের জবাবে রকেট হামলা অব্যাহত রেখেছে প্রতিরোধ সংগঠন হামাস ও ইসলামিক জিহাদ। এতে ইসরায়েলে সাতজন নিহত হয়েছেন। এদিকে, লেবানন থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে তিনটি রকেট ছোড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তবে রকেটগুলো গিয়ে সাগরে পড়েছে।

গাজায় হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে পশ্চিমতীর এবং ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও প্রতিবাদ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে আরবরা ইসরায়েলি বাহিনী ও সেটলারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। ইহুদি সেটলাররা আরবদের বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েল ও গাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তৃতীয়বারের মতো শুক্রবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

এর আগে দুইবার বৈঠকে বসলেও যৌথ বিবৃতি দিতে বাধা দেয় ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। গত সোমবার তৃতীয় দিনের মতো মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের ওপর তাণ্ডব চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। অবরুদ্ধ করে রাখা হয় মুসল্লিদের। আল-আকসা মসজিদ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে রকেট হামলার হুমকি দেয় গাজার প্রতিরোধ সংগঠন হামাস।

সেখান থেকে বাহিনী সরিয়ে না নিলে ইসরায়েলে রকেট ছোড়ে সংগঠনটি। ইসরায়েলি উগ্রবাদীদের ‘জেরুজালেম দখল দিবস’ উদ্‌যাপন এবং শেখ জাররাহ এলাকা থেকে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের উচ্ছেদ ঘিরে এ উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। এরপর আল-আকসা মসজিদের মুসল্লিদের ওপর কয়েক দফা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে সাত শতাধিক মুসল্লি আহত হন।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?