এই সময় জানায়, মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হয়। আর ওই কয়েক মিনিটেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তবে মৃত রোগীদের পরিজনদের দাবি, কমপক্ষে ২৫ মিনিট বন্ধ ছিল অক্সিজেন সরবরাহ। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১০ হাজার লিটারের অক্সিজেন ট্যাংক খালি ছিল। ওই ট্যাংকটি ভরা হচ্ছিল।
এ জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হয়। আর ওই সময়েই হাসপাতালে সংকটজনক রোগীদের অবস্থার অবনতি ঘটে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন রেড্ডি ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। চিত্তুরের জেলা প্রশাসক এম হরিনারায়ণ জানিয়েছেন, কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘অক্সিজেনের চাপ কমে গিয়েছিল কিছুক্ষণের জন্য। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ফের অক্সিজেন চালুর ব্যবস্থা করা হয়।
এ জন্য বড় দুর্ঘটনার থেকে রক্ষা পেয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক, ওই সময়ের মধ্যেই ১১ জন রোগী প্রাণ হারিয়েছেন।’ এর আগে অক্সিজেনের অভাবে ভারতের কর্নাটকে ২৪ জন, মহারাষ্ট্রে ২২ জন, দিল্লিতে আটজন এবং উত্তরাখণ্ডে পাঁচজন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়।