নেটফ্লিক্সের পর সম্প্রতি আমাজন স্টুডিও এইচএফপিএ’র সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ সংগঠন জানায়, সদস্যদের বর্ণবৈচিত্র্যে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সদস্যদের উপহার ও অর্থ লেন-দেনে বিধিনিষেধ আনা হচ্ছে। এর বাইরেও স্কারলেটের অভিযোগ রয়েছে। এক বিবৃতিতে জানান, এইচএফপিএ’র সংবাদ সম্মেলনে যৌন রসাত্মক প্রশ্ন ও মন্তব্যে তিনি বিব্রতবোধ করেন। তিনি মনে করেন, কোনো ধরনের সংস্কার না হলে এই সংগঠন থেকে ইন্ডাস্ট্রির দূরে থাকা উচিত।
তিনি জানান, ছবির প্রচারে সংবাদ সম্মেলন ও পুরস্কারের আসরে প্রায়ই যৌন রসাত্মক প্রশ্ন শুনতে হয়। এইচএফপিএ’র কোনো কোনো সদস্য তো যৌন হেনস্তার কাছাকাছি চলে আসেন। তাই কয়েক বছর ধরে সংবাদ সম্মেলনে থাকতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন। স্কারলেটের মতে, এখন যদি সবাই সংগঠনটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে তারা সংস্কারে যেতে বাধ্য হবে। একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের পর হলিউডের সবচেয়ে নামি পুরস্কার গোল্ডেন গ্লোব। এটি দিয়ে থাকে এইচএফপিএ।
স্কারলেট জোহানসন পাঁচ এ পুরস্কারে মনোনীত হয়েছেন। নেটফ্লিক্স ও আমাজন স্টুডিও জানিয়ে দিয়েছে পরিবর্তন ছাড়া তারা এ সংগঠনের কোনো কাজে অংশ নেবে না। এমনকি হলিউডের ১০০টি জন সংযোগ প্রতিষ্ঠান হুমকি দিয়ে জানিয়েছে, সংস্কার না হলে এইচএফপিএ’র সঙ্গে তাদের অভিনয়শিল্পীরা কাজ করবে না। তারা চায় সামনের পুরস্কার আসরে আগেই পরিবর্তন আসুক। ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ সিরিজের স্কারলেট জোহানসনের সহকর্মী মার্ক রাফেলো জিতেছিলেন গোল্ডেন গ্লোব।
সাম্প্রতিক অভিযোগ নিয়ে বলেন, সংগঠনটি নিজেদের শুধরে না নিলে পুরস্কারের জন্য খুশি হতে পারছেন না। এইচএফপিএ’র প্রেসিডেন্ট আলী সার এক চিঠিতে নেটফ্লিক্সকে জানান, তারা সংগঠনে পরিবর্তন আনতে কাজ করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের অনুসন্ধানে এইচএফপিএ’র বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ওঠে আসে। সেখানে বলা হয়, দুই দশকের মধ্যে সংগঠনটির তালিকায় কোনো কৃষ্ণাঙ্গ সদস্য নেই। কমিটিতে থাকা সদস্যদের মধ্যে প্রচুর অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। প্রমোদ ভ্রমণের সুবিধাও নেন তারা।এপ্রিলে সংগঠনের সাবেক প্রেসিডেন্টের এক ইমেইল ফাঁস হলে বিতর্ক আরও জমে ওঠে। সদস্যদের লেখা চিঠিতে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটারকে ‘আ হেইট মুভমেন্ট’ বলে উল্লেখ করেন ফিল বার্ক। এরপর তাকে সংগঠন থেকে বাদ দেওয়া হয়।