স্টাফ রিপোর্টার, শান্তিরবাজার, ১০ মে।। দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শান্তিরবাজারে ফের অশান্তি। শান্তিরবাজার পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় বিরোধী দলনেতা, উপ দলনেতা, বিধায়ক সহ অন্যান্যরা একাংশ উশৃংখল নেতাকর্মীদের আক্রমণের শিকার হন।
ভাঙচুর করা হয় তাদের গাড়ি। রাজ্যে বিরোধী দলের নেতা- কর্মী- সমর্থকদের ওপর আক্রমণ, দলীয় অফিস ভাঙচুর ,অগ্নিসংযোগ সহ রাজনৈতিক হিংসাত্মক ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না বিরোধী দলনেতা, উপনেতা, বিরোধীদলের বিধায়ক সহ শীর্ষস্থানীয় নেতারাও। এ ধরনের কার্যকলাপ রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভঙ্গের অন্যতম নজির। বিরোধীদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্যই এ ধরনের চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে শাসক দলের অত্যুৎসাহী একাংশ।
সোমবার বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শান্তির বাজার পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় আক্রান্ত শাসক দলের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে যান। আক্রান্ত দলীয়কর্মী নরেন্দ্র দাসের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে শাসকদলীয় দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর হামলা চালায়। বিরোধী দলনেতার সহ অন্যান্যদের উদ্দেশ্যে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে বিরোধীদলের সমর্থক নরেন্দ্র দাসের বাড়িতে শাসকদলীয় দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছিল। দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশে দাঁড়াতে এবং ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নিতেই বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারের নেতৃত্বে দলের প্রতিনিধি দল সোমবার শান্তির বাজারে যান।
https://www.facebook.com/cpimtripuraofficialpage/videos/748063009209131/
আক্রান্ত দলীয়কর্মী নরেন্দ্র দাসের বাড়িতে যাওয়ার পথেই শাসক দলীয় লোকজন তাদের পথ আগলে ধরে কালা পতাকা দেখায় এবং গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে। বিরোধী দলনেতার সহ অন্যান্যরা কোনক্রমে দলীয়কর্মী নরেন্দ্র দাসের বাড়িতে যান এবং তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। এরপর থেকেই পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিরোধী দলনেতা সহ প্রতিনিধিদল অন্যান্য দলীয় কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেন।
সেখান থেকে তারা যখন আগরতলায় ফেরার উদ্যেশ্যে বের হচ্ছিলেন তখন বিরোধী দলনেতা সহ অন্য দলের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। তাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আক্রমণে বিরোধী দলের উপনেতা বাদল চৌধুরী গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। জানা যায় তাদের উদ্দ্যেশ্য করে ছুঁড়া হয় ডিম, ঝাঁড়ু, জোতা সহ অন্যান্য সামগ্রী। এ ধরনের রাজনৈতিক ও সৌজন্যতার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলের নেতা মানিক সরকার।
তিনি বলেন না যে অশান্তির পরিবেশ কায়েম হয়েছে। বিরোধী দলনেতা ও অন্যান্য নেতাদের রক্তে যদি রাজ্যের শান্তি সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসে তাহলে তাদের কোন আপত্তি থাকবে না বলে বিরোধী দলনেতা মন্তব্য করেন। বিরোধী দলের নেতা আরও বলেন এ ধরনের হিংসাশ্রয়ী কার্যকলাপ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র শান্তির বাজার জুরে তীব্র চাঞ্চল্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।এইদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক বাদল চৌঁধুরী, প্রাক্তন বিধায়ক বাসুদেব মজুমদার, বিধায়ক সুধন দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ