স্টাফ রিপোর্টার, বিশালগড়, ৮ মে।। মধুপুর থানা এলাকার আনন্দ চৌমুহনী এলাকা থেকে হোমগার্ডের এক কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের দাবি করা হয়েছে সে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে। তবে এর পেছনে রহস্যের ইঙ্গিত মিলেছে। হোমগার্ড কর্মীর ফাঁসিতে আত্মহত্যা নাকি খুন ,দ্বন্দ্বে পুলিশ।
ঘটনা কমলাসাগর বিধানসভার মধুপুর থানাধীন আনন্দ চৌমুহনী এলাকায় । মৃত হোমগার্ড কর্মীর নাম চন্দ্রবাসী দেববর্মা(45)। তার বাড়ি দুর্গা চৌধুরীপাড়া। মধুপুর থানার অন্তর্গত ।জানা যায় শনিবার সকাল বেলা নিজ বাড়িতে তার স্ত্রীর সাথে সামান্য বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ।
সে সর্বদাই আকন্ঠ মদ্যপান করত। বাড়ির পাশেই একটি রাবার বাগানে তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু তার মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাইনি কেউ ।যার ফলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যদি ফাঁসিতে আত্মহত্যা করত তাহলে তার দেহ গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকতো।
কিন্তু তার গলায় কোন আঘাতের চিহ্ন নেই ।যদি ফাঁসিতে আত্মহত্যা করত তাহলে তার গলায় চিহ্ন থাকার কথা। যদিও পরিবার সূত্রে বলা হয়েছে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে । মধুপুর থানার পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে মধুপুর হাসপাতালে। তার স্ত্রী এবং দুই কন্যা এবং এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এটি আত্মহত্যা না খুন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পুলিশ জানিয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।