অভিনেত্রীর অ্যাকাউন্ট টুইটার থেকে পুরোপুরি সাসপেন্ড হতেই বলিউডের অনেক তারকা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। যেমন; রিচা চাড্ডা, স্বরা ভাস্কর, গুলশান দেবাইয়া ও হানসেল মেহাতা। কারো নাম না করে রিচা একটা মিম শেয়ার করেছেন, “নিজের মতো হও। অন্য কোথাও।” এক নেটিজেন তো টুইট করে লিখেছেন, আইপিএল ও কঙ্গনার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়েছে। দেশে মনোরঞ্জনের কমতি পড়েছে। এক ফ্যাশন হাউস কঙ্গনার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার খবর শেয়ার করে স্বরা লেখেন, “এটা দেখে আনন্দের পাশাপাশি অবাক হয়েছিলাম! তোমরা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য, সরাসরিভাবে গণহত্যার জন্য ঘৃণামূলক বক্তব্য ও উসকানি দেওয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য! এভাবেই পাশে থেক বন্ধুরা।
” গুলশান টুইট করেছেন, “মহারাজ তার ভ্রু ছিঁড়ে ফেলার সময় নিজের পায়ে গুলি করেছিলেন। বেচারা বিরাট, তার নাম অযথা এর মধ্যে টেনে আনা হয়েছিল।” পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোটের ফলাফলের পরে সহিংসতার প্রতিক্রিয়ায় একটি টুইটে কঙ্গনা ২০০০ সালে মোদির ‘বিরাট রূপ’ উল্লেখ করেছিলেন। ওই সময় সহিংসতায় গুজরাটে কয়েক হাজার মুসলমান নিহত হয়। হানসাল তার ‘সিমরান’ ছবির তারকার জন্য লেখেন, “সম্পূর্ণ নাটক।” তিনি অবশ্য একজন সাংবাদিকের টুইটের জবাবে এ কথা বলেন।
কঙ্গনার স্থগিত অ্যাকাউন্টের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে সাংবাদিক লিখেছেন, “এখন অন্য কোথাও তার সমস্ত বিষাক্ত হিংস্র সাম্প্রদায়িক টুইট করতে দিন।” যদিও অ্যাকাউন্ট স্থগিতের পর থামেননি কঙ্গনা। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন তিনি। সেখানে বলেন, “টুইটার প্রমাণ করে দিয়েছে আমার দৃষ্টিকোণ, তারা আমেরিকান এবং জন্মগতভাবে শ্বেতাঙ্গারা বিশ্বাস করে বাদামী চমড়ার মানুষ ওদের দাস। ওরা তোমরা কী বলবে বা ভাববে, সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।
সৌভাগ্যবশত আমার কাছে আরও অনান্য মাধ্যম রয়েছে, যেখানে আমি নিজের বাক স্বাধীনতা প্রয়োগ করতে পারব, আমার নিজের শিল্প-ভাবনা নিয়ে কথা বলব। এর মধ্যে অবশ্যই রয়েছে, আমার সিনেমা।” “তবে আমার মন কাঁদছে আমার দেশের সেইসব মানুষের কথা ভেবে যারা বছরের পর বছর নির্যাতিত হচ্ছে, অত্যাচারের শিকার হচ্ছে… এবং তাদের এই কষ্টের শেষ নেই”, এ কথাও বলেন কঙ্গনা।