ধলাই জেলার আমবাসা ইকোপার্কে নবনির্মিত ‘লগ হাট’ এর উদ্বোধন হল

স্টাফ রিপোর্টার, আমবাসা, ৩ মে।। আজ এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে ধলাই জেলার আমবাসা ইকোপার্কে নবনির্মিত ‘লগ হাট’ এর উদ্বোধন করা হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং ফলক উন্মোচন করে ‘লগ হাট’-র উদ্বোধন করেন পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায়।

ইকো পার্কের ৩টি ‘লগ হাট’ এর মধ্যে ২নং ‘লগ হাট’ এর ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন বন দপ্তরের মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া। ত্রিপুরা পর্যটন উন্নয়ন নিগমের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের ভাষণে পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় বলেন, আমবাসায় ‘লগ হাট’ এর উদ্বোধনের ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে এক নতুন পালক যুক্ত হল। আমবাসা ইকোপার্কে পর্যটন উন্নয়ন নিগম এবং বন দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বাইরে থেকে যে সকল পর্যটক আসবেন তাদের থাকার ব্যবস্থার উদ্যোগ আজ থেকে শুরু হল।

তিনি বলেন, করোনা মহামারী শুরু হওয়ার আগে প্রথমে ‘লগ হাট’ শুরু করা হয় তেপানিয়া ইকোপার্কে। তিনি বলেন, সেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ অনেক মনোরম। বাইরের পর্যটক আগাম বুকিং করে সেখানে আসেন। এর আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে বড়মুড়াতেও লগ হাট চালু করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পর্যটন মন্ত্রী শ্রীসিংহ রায় বলেন, আমাদের রাজ্যে করোনা সংক্রমণের ঘটনা প্রতিদিন বাড়ছে।

তিনি করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেন। রাজ্য সরকার করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার বদ্ধপরিকর। করোনাকালীন সময়ে কৃষি কাজ যাতে কোনভাবে ব্যহত না হয় এজন্য সরকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিশেষ লক্ষানিয়ে কাজ করছে।

রাজ্যের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, ডুম্বুর জলাশয়ের নারকেল কুঞ্জে পর্যটন শিল্পের বিকাশে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৩ টি ‘লগ হাট’ তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে। সেখানে ওয়াটার বোট চালু করা হয়েছে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। অনুষ্ঠানে বনমন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারের উদ্যোগগুলি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক পরিমল দেববর্মা। তাছাড়াও বক্তব্য রাখেন পর্যটন দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে। ত্রিপুরা পর্যটন উন্নয়ন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাভেল হেমেন্দ্র কুমার স্বাগত বক্তব্যে জানান, পর্যটন দপ্তরের অর্থে আমবাসা ইকোপার্কে ৩টি ‘লগ হাট’ তৈরী করতে ৬২ লক্ষ ৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন ডি এফ ও অমিত দেববর্মা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধলাই জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা গোভেকর ময়ূর রতিলাল, কৃষি অধিকর্তা ড. ডি পি সরকার প্রমুখ।

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?