স্টাফ রিপোর্টার, বিশালগড়, ৪ মে।। চড়িলাম স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ। মঙ্গলবার ব্যাংকের শাখার সামনে তীব্র প্রতিবাদ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন ভোক্তারা।দেরিতে ব্যাংক খোলায় ক্ষুব্দ গ্রাহকরা। ঘটনা মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংক চড়িলাম শাখায়। সকাল দশটায় ব্যাংক খোলার কথা থাকলেও ব্যাংক খোলা হয় সাড়ে দশটার পর। দূরদূরান্ত থেকে অনেক গ্রাহক ব্যাংকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন ব্যাংক কখন খুলবে।
উপজাতি পার্বত্য এলাকা সুতার মুড়া থেকে প্রায় বার কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে ছোট ছোট শিশুদের অনেক মহিলা গ্রাহক ব্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হেলতে দুলতে ব্যাংকে আসে সাড়ে দশটার পর। যার কারণে গ্রাহকরা রেগে লাল হয়ে যায়। এমনিতেই ব্যাংকে স্টাফ কম। তার উপর চলছে করোনা পরিস্থিতি। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হয়। তাই সকাল সকাল গ্রাহকরা এসে ভিড় জমায় ব্যাংকের দরজায়। কারণ সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইনে দাঁড়াতে হয় ।যার ফলে ব্যাংকের ভেতর থেকে গ্রাহকদের লাইন জাতীয় সড়ক পর্যন্ত চলে আসে। রোদ্রে গ্রাহকদের প্রাণান্তকর অবস্থা হয়। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এতে কোনো হেলদোল নেই বলে অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এরপরও অনেক গ্রাহক লাইন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কারণ ব্যাংকের ক্যাশিয়ার এগারোটার পরে এসেছেন।
অনেক গ্রাহক বিরক্ত হয়ে বাড়িতে চলে গিয়েছেন। প্রায় সময় ত্রিপুরা স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংক চড়িলাম শাখায় হয়রানির শিকার হতে হয় গ্রাহকদের এমনটাই অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সতীশ চন্দ্র দাসকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে উনি আমতা-আমতা করে কেটে পড়েন। কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। উনি ম্যানেজার হয়েও প্রতিদিন ব্যাংকে আছেন পৌনে এগারটায় ।এমনটাই অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এই ব্যাংকের পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের অভিযোগের শেষ নেই। গ্রাহকরা চাইছে ব্যাংকে ভালো পরিষেবা দেওয়া হোক।
এই ব্যাংকের পাশাপাশি চচড়িলামে রয়েছে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক। গ্রামীণ ব্যাংকের পরিসেবা ভাল এমনটাই জানিয়েছেন গ্রাহকরা। যার ফলে দিন দিন স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অনেক গ্রাহক ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক চড়িলাম শাখায় চলে যাচ্ছে। এরপরেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কোন হেলদোল নেই। অথচ এই ব্যাংক চড়িলাম এর সবচেয়ে পুরনো ব্যাংক । গ্রাহক সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু দিন দিন পরিষেবা তলানীতে যাওয়ায় অন্য ব্যাংকে চলে যাচ্ছে গ্রাহকরা।