ওই তিন প্রার্থীর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননের মতো শীর্ষ নেতাদের দিকে তোপ দাগেন। তথাগত লেখেন, “পায়েল, শ্রাবন্তী, পার্নো ইত্যাদি ‘নগরীর নটীরা’ নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন (এবং হেরে ভূত হয়েছেন) তাদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি?” এর পর টুইট করে আগের বক্তব্যে একটু সংশোধন করেন। সেখানে তিনি জানান, পার্নো নয় ওই নামটি তনুশ্রী চক্রবর্তী হবে।
ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের রাজ্যপাল পদ থেকে অবসর নেওয়ার পরে ফের সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরেছিলেন তথাগত। বিধানসভায় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে লড়তে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাকে না দিয়ে রুদ্রনীল ঘোষকে টিকিট দেয় দল। এই প্রসঙ্গে তনুশ্রী, পায়েল বা শ্রাবন্তী কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি না হলেও এগিয়ে এলেন প্রতিদ্বন্দ্বী দল তৃণমূলের সংসদ সদস্য ও নায়িকা নুসরাত জাহান। তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বললেন, “আমি বরাবরই বলে এসেছি বিজেপি নারীর প্রধান শত্রু ।
এই দল কখনোই নারীকে সম্মান করতে পারেনি, পারবেও না। মেয়েদের ওরা এভাবেই দেখে। তাদের যে সম্মান করা উচিৎ, সেই শিক্ষাটাই ওদের মধ্যে নেই। সেই জন্যই যোগী আদিত্যনাথ পশ্চিমবঙ্গে রোমিও স্কোয়াডের কথা বলতে পেরেছিলেন।” গত জানুয়ারি মাসে বিজেপির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ সভায় মেয়েদের প্রতি অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন নুসরত। কড়া ভাষায় জানিয়েছিলেন, বাংলার মেয়েদের ভয় দেখিয়ে দমন করা সম্ভব নয়।