কিন্তু নাবালিকার পরিবারের লোক এই সম্পর্ক কোনোভাবেই মেনে নিতে নারাজ। মাত্র চার মাস আগে মিন্টুর হাত ধরে ঘর থেকে বের হয় ওই নাবালিকা। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশি হস্তক্ষেপে নাবালিকা কন্যার বিয়ের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। কিন্তু নাছোড়বান্দা মিন্টু দেবনাথ নামে ওই প্রেম পাগল যুবক তাকে পুনরায় তার বাপের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসে। পরবর্তী সময়ে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পাত্রীপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়।
পাত্রীপক্ষ তাতে কোন ভাবেই রাজী হয়নি। বিয়ের চার মাসের মধ্যেই নাবালিকা জীবনে নেমে আসে চরম পরিণতি। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে মোবাইল ফোন নিয়ে তাঁর স্বামীর সঙ্গে ঝামেলা হয়। এর জের ধরে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে নাবালিকা গৃহবধূ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা করা যায়নি। নাবালিকা গৃহবধূর আত্মহত্যার সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সিধাই থানার পুলিশ এ ব্যাপারে একটি মামলা গ্রহণ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।