প্রথার করা গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।গাঁজা উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এই গাছামো যাত্রা কার সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি বিএসএফ জওয়ানরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ।তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে জালে তুলতে সক্ষম হয়নি পুলিশও। উল্লেখ্য রাজ্যের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে এবছরও ব্যাপকহারে গাঁজা চাষ হয়েছে।গাঁজা চাষের নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও একাংশের মানুষ অতি মুনাফার লোভে আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।রাজ্যের মাটি গাঁজা চাষের জন্য যথেষ্ট উপযোগী ।
সে কারণেই সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মানুষজন গাঁজা চাষ করে অর্থ উপার্জনের পথ বেছে নিয়েছে। রাজ্যে উৎপাদিত গাজা সড়কপথ রেলপথ এমনকি আকাশ পথে পথে বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ বিএসএফ এবং গোয়েন্দা বাহিনী এসব গাঁজা আটক করতে সক্ষম হচ্ছেন।গত কয়েক বছর ধরেই গাঁজা চাষ বিরোধী অভিযান এবং গাঁজা পাচার রোধে প্রশাসন কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছে। কিন্তু তা সত্বেও গাঁজা চাষ বন্ধ করা কোনোভাবেই প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অভিযোগ গাঁজা চাষের তোদের সঙ্গে পুলিশ এবং শাসক দলের নেতাদের একাংশের যোগসাজ হয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গাজা চাষি না ব্যাপকহারে গাঁজা চাষ করে চলেছে।